বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন খলিলুর রহমান
পদ গ্রহণের সময়কাল
ব শ বজ ড় ভ র জন – বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে সেই অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এই সময়টিতে বিশ্বে চলমান ভূরাজনৈতিক ক্ষুধার্ত পরিস্থিতি ছিল। খলিলুর রহমান সেই পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সংস্থার পদে দায়িত্ব নিতে চলেছেন।
প্রাগ্ভূমি ও প্রতিদ্বন্দ্বী তুলনা
খলিলুর রহমান জাতিসংঘে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ পদে কাজ করেছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস। এই আগ্রাণীয় পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটাভুটিতে তিনি কাকোরিসকে হারিয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন।
২০২৪ সালে ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কাছে তখন নির্বাচন ঘটে। ফলে খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি নোবেল প্রাপ্ত অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বে অংশগ্রহণ করেন।
পদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদটি সাধারণত সর্বসম্মতিতে নির্বাচিত হয়। সদস্যদেশগুলো একত্রিত ভাবে কোন প্রার্থীকে সমর্থন করে। যদি কোনো ঐকমত্য স্থাপিত হয় না, তখন গোপন ব্যালটে ভোটাভুটি হয়। চলতি বছরের আগে সাধারণ পরিষদের সভাপতির নির্বাচন ছিল ২০১৬ সালে। ওই সময় ফিজির কূটনৈতিক পিটার টমসন গোপন ব্যালটে সাইপ্রাসের প্রার্থীকে চার ভোটে হারিয়ে সভাপতি হন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে মোট ১৯০টি ভোট পড়েছিল। কোনো ভোট বাতিল হয়নি এবং কেউ ভোটদান থেকে বিরত থাকেনি। খলিলুর রহমান এবারের গোপন ব্যালটে ৯৯টি ভোট পান, যা তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কাকোরিসের চেয়ে ৮টি বেশি।
জাতিসংঘের ভূমিকা এবং চ্যালেঞ্জ
সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকালে খলিলুর রহমান বলেন, “জাতিসংঘ এমন �
