মায়ের মৃত্যুর পর থমকে গেছে তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের পৃথিবী
ম য় র ম ত য র – মায়ের মৃত্যুর পর তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের জীবন এখন আর চলছে না। পটুয়াখালীর বাউফলে বাস করা এই তিন ভাই শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অবস্থায় আছেন, কিন্তু তাদের একমাত্র ভরসা ছিল মা সরস্বতী রানী দাস। মায়ের মৃত্যুর পর তাদের জীবন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, কারণ বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে এই কথা শুনতে পাওয়া গেছে যে তিন ভাই আর কারও সাহায্য ছাড়া থাকতে হবে। মায়ের মৃত্যুর পর তাদের জীবন স্থির হয়ে গেছে, কিন্তু অর্থনৈতিক আর চারপাশে পরিবেশ বৃদ্ধি পেয়েছে তাদের পরিস্থিতির উপর। মায়ের মৃত্যুর পর তিন ভাইয়ের সাহায্য করার জন্য তাদের বাবা এবং স্বজন আরও কষ্ট করছেন, কিন্তু সব সময় তাদের সাহায্য করতে পারছেন না। মায়ের মৃত্যুর পর তাদের পৃথিবী এখন আর কোন আশা ছাড়া ভরে উঠেছে। তাদের দৈনিক খরচ কিছুটা বেড়েছে কারণ মায়ের মৃত্যুর পর স্বাভাবিক সময়ে তাদের কোনও উৎস থাকেন না।
তিন ভাইয়ের শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অবস্থা
তিন ভাইয়ের জন্ম থেকেই তাদের জীবন অসহায় আছে। এই তিন ভাই একে অপরের সাথে ঘুরে বেড়ানো বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের বাবা সরস্বতী রানী দাস একমাত্র কেউ ছিলেন যে তাদের প্রতি দয়া করছেন। মায়ের মৃত্যুর পর তাদের কোনও ভাবে দেখার কেউ নেই, কারণ তাদের একমাত্র সাহায্যকারী কে বলতে হয়েছে মা। তাদের কোনও সম্পত্তি নেই, কাজও নেই, কিন্তু তাদের একমাত্র উৎস ছিল মায়ের প্রতিভূতি। এখন মায়ের মৃত্যুর পর তাদের জীবন দুঃখ ভরে আছে।
তিন ভাইয়ের পরিবেশ ও পরিস্থিতি
তিন ভাইয়ের কাছে মায়ের মৃত্যুর পর কিছুটা আরও বেড়ে গেছে অসহায়তা। তাদের কোনও স্থায়ী আশা ছাড়া বেড়ানো হচ্ছে, কারণ তাদের জন্ম থেকেই কোনও সাহায্য ছিল না। এখন মায়ের মৃত্যুর পর তাদের জীবন চারপাশে থেকে আবেগ বহন করছে। তাদের বাবা এখন তাদের জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন আরও কষ্ট করে। তাদের সাথে এখন একটি আশা থাকছে তাদের পরিবার এবং স্বাভাবিক কোনও কর্ম নেই। মায়ের মৃত্যুর পর তাদের পৃথিবী এখন আরও শুষ্ক হয়ে গেছে, কিন্তু তাদের বাবা আরও কষ্ট করে তাদের জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিন ভাইয়ের পরিবেশ তাদের মায়ের মৃত্যুর পর কোনও স্থায়ী উন্নতি পেয়েছে না। তাদের কাছে মায়
