হাদি হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশালমিছিল
হ দ হত য র ব চ – আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয় ইনকিলাব মঞ্চের মশালমিছিল। পরে মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে পৌঁছে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ মিছিলে সংগঠনের নেতা–কর্মীরা হাদি হত্যার ঘটনায় জড়িত দেশীয় খুনিদের চিহ্নিত করার দাবি জানায় এবং পলাতক খুনিদের দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে। বিচারের ব্যাপারে আধিপত্যবাদের পক্ষ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলে আবার পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতা চার মাস হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে কোনো কার্যক্রম হয়নি। তিনি সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনারা ক্ষমতায় আছেন, আগামীকাল ক্ষমতায় থাকবেন না, এই কথা ভুলে যাইয়েন না।”
“আধিপত্যবাদের পক্ষ নিয়ে আপনারা যেই ধরনের বয়ান উৎপাদন করার চেষ্টা করছেন, আজকে ক্ষমতায় আছেন, আগামীকাল ক্ষমতায় থাকবেন না, এই কথা ভুলে যাইয়েন না।”
আবদুল্লাহ আল জাবের আরও জানান, কিছুদিন আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ভারতের সাথে একটি বৈঠক হয়েছে এবং তারা হাদিকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সম্মতি দিয়েছে। এখন সেই সম্মতির সময়সীমা কতটুকু, তা জানতে চাই। কেয়ামত পর্যন্ত নাকি কোনো সুনির্দিষ্ট সময় আছে, তা স্পষ্ট করে বলতে চাই।
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ আবার অভিযোগ করেন যে, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশে ওসমান হাদি হত্যা করা হয়েছে। বিগত সরকারের সঙ্গে যাঁরা জড়িত ছিলেন, তাদের এ হত্যাকাণ্ডে সাংঘাতিক সম্পর্ক থাকতে পারে। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে নতুন বিক্ষোভ মিছিলে অংশ গ্রহণের আহ্বান জানান সংগঠনের সদস্যসচিব।
