Uncategorized

‘ভাই, এত ব্যস্ত হইয়েন না’: ছুটির বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

‘ভাই, এত ব্যস্ত হইয়েন না’: ছুটির বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ ই এত ব যস ত হইয় - বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ

Desk Uncategorized
Published June 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

‘ভাই, এত ব্যস্ত হইয়েন না’: ছুটির বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভ ই এত ব যস ত হইয় – বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদ অর্জনের পর ছুটি নেবেন কি না এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ভাই, এত ব্যস্ত হইয়েন না।’ আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

২ জুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি সাইপ্রাসের প্রার্থীকে পরাজিত করে সেই পদে অধিকার লাভ করেন। নির্বাচনের পর তিনি নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় ফেরেন।

‘এই বিজয় বাংলাদেশের বিজয়। এই বিজয় প্রধানমন্ত্রীর। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি যদি এই সিদ্ধান্ত না নিতেন এবং দৃঢ়ভাবে, অবিচলভাবে ও বিরোধহীনভাবে আমাদের সমর্থন না করতেন, তাহলে ১০ বছরের এই রাস্তা ১০ সপ্তাহে আমরা অতিক্রম করতে পারতাম না।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা, বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। আমাদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা—আমরা যে টিম স্পিরিট নিয়ে কাজ করেছি, এই বিজয়ের পেছনে তাঁর অবদান ছিল বিপুল। এ বিজয় আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কাছে উৎসর্গ করছি।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চাকরি ছাড়ব কি না, এটাই তো? না না, ছুটি নেব কিনা? ভাই, এত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই! এর নজির আছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগে আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।

‘আমি তাঁর একান্ত সচিব ছিলাম এবং তাঁর সঙ্গে আমরা কাজ করেছি। উনি দুই পদেই পূর্ণকালীন কাজ করেছেন। ওই সময়টা ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ; কিন্তু আজ আপনি নিরবচ্ছিন্নভাবে দুটি কাজই একসঙ্গে করতে পারেন। এটা এখন খুব স্বাভাবিক।’

তিনি আরও জানান, ‘এটা আমি আগেও পরিষ্কার করে দিয়েছি। অনেকেই বলেছেন, বর্তমানে জার্মানিতে যিনি আছেন, তিনি তো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন; কিন্তু ওই পদ ছেড়ে তিনি কাজ করেছেন। আসলে বিষয়টা হচ্ছে, তিনি গ্রিন পার্টির নেতা ছিলেন। তাঁর দল গ্রিন পার্টি নির্বাচনে হেরে যায়। এ কারণে তিনি আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারেননি।’

Leave a Comment