আহসান মঞ্জিল–লালবাগ ঘুরে মুগ্ধ তুর্কি গায়িকা, ঢাকাকে বললেন ‘ফলের স্বর্গ’
তুর্কি শিল্পীর সাথে বাংলাদেশের গানের যোগসাধনা
আহস ন মঞ জ ল ল লব – কোক স্টুডিও বাংলার চতুর্থ মৌসুমের প্রথম সংগীতে বাংলাদেশের শিল্পীদের সাথে সহযোগিতা করেছেন তুর্কি গায়িকা হান্দে চেভগেল। গানটি হান্দে সংগীত সংকলনের সহশিল্পী মোস্তফা ইপেকের মাধ্যমে প্রাপ্ত হয়েছিল। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তিনি প্রথমবার ঢাকায় আসেন এবং কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন মকফুল হোসেনের সাথে।
ঢাকার পরিবেশ এবং জায়গাগুলো
তুর্কি শিল্পী হান্দে চেভগেল বলেন, “প্রথম দিন ঢাকায় গিয়ে আমার মনে হয়েছিল এটি খুব সবুজ ও ধূসর শহর। সম্পূর্ণ সময় আমার কাছে নিয়োগ পেলে নিশ্চিত করেছিল যে এটি একটি ফলের স্বর্গ রাজ্য। কিছু স্থান ঘুরেছি, যেমন আহসান মঞ্জিল, পুরান ঢাকা এবং লালবাগ। বেশি সময় ছিল না বলে অনেক জায়গা দেখার ইচ্ছা রয়েছে।”
বাংলাদেশের শিল্পীদের সাথে সম্পর্ক
হান্দে চেভগেল তাঁর সহকর্মী শিল্পীদের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশি শিল্পীদের সাথে কাজ করা সবচেয়ে স্মরণীয়। মাহতিম শাকিব ও নুসরাত জাহানের সাথে আমার আনন্দ ছড়ানো হয়েছিল। তাঁদের সাথে দেখা হওয়ায় আমি আত্মবিশ্বাস পেয়েছি।”
গানের মর্মার্থ এবং সংগীত সংস্কৃতি
তিনি বলেন, “নজরুলের ‘রুমঝুম’ গানের মাধ্যমে আমি কিছুক্ষণ হতে পারিনি গানটির মূল ভাবটি। কিন্তু গানটি শোনার পর ভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল দারুণ অনুভূতি। তাই গাইতে আগ্রহী হয়েছিলাম। পরে এটি পড়ে জানতে হয়েছিল যে কাজী নজরুল ইসলাম কতটা গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। আগে তাঁকে চিনতেন না।”
তুর্কি সিরিজের জনপ্রিয়তা এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
তিনি যোগ করেন, “বাংলাদেশে তুর্কি সিরিজ খুব বেশি পরিচিত। এটি একটি জাতীয় সংগীতের সাথে গানের সম্পর্ক ছিল আমার জন্য স্বাভাবিক ও প্রাণবান। আমি বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে আরও কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।”
গানটি কেমন প্রতিক্রিয়া পেলো?
বাংলাদেশি শ্রোতাদের কাছে গানটি খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, যেহেতু এটি আসলে সবার মনোযোগ কেড়েছে। হান্দে চেভগেল বলেন, “আমার মনে হয় তাঁদের মন্তব্য ও বার্তাগুলো খুব আনন্দ দিয়েছে। আশা করি আমরা আরও বেশি করে একত্রে কাজ করতে পারব।”
