বর্তমানে রোনালদোর বয়স ৪১ বছর, কিন্তু তাঁর স্বাস্থ্য বিশেষ করে নিখুঁত রয়েছে
৪১ বছর বয়স ও ক র স – সৌদি আরবের ফুটবল লিগে খেলছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, যদিও তাঁর বয়স এখন চার দশকের বেশি। তবে তাঁর শারীরিক পরিশ্রম ও স্বাস্থ্য আগের মতোই দৃঢ়। প্রতিদিনের খাবার ও অনুশীলন দিয়ে নিয়মিত রূপে ফুটবল খেলতে সক্ষম রোনালদো যে সম্ভব, তা তাঁর সাবেক শেফ জর্জিও বারোন ব্যাখ্যা করেছেন।
খাবার ও সময় ব্যবস্থাপনা দিয়ে বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব
বারোন জানালেন, রোনালদো যে সময় জুভেন্টাসে ছিলেন, তখন তাঁর খাবার পরিচালনার দায়িত্ব তিনি দেখেছিলেন। ক্রিস্টিয়ানো একেবারে বিশেষ খাবার খান না, বরং একটি অসামান্য ধরনের রুটিন মেনে চলেন। প্রতিদিন তাঁর খাবারে অ্যাভোকাডো, তাড়াতাড়ি সবজি আর ফল থাকে। প্রোটিনের জন্য মাছ, মুরগি আর ডিম ব্যবহার করা হয়।
“রোনালদো কোনো বিশেষ খাবার খান না, বরং প্রতিদিনের খাবার ধরন তাঁর পরিশ্রমের মাপকাঠি দ্বারা নির্ধারিত হয়।”
বারোন বলেন, খেলোয়াড় যখন ক্রমাগত অনুশীলন করেন, তখন খাবার পরিমাণ বেশি হয়। ম্যাচের দিন তাঁর স্বাস্থ্য হালকা রাখতে প্রয়োজন হয় কম খাবার। এছাড়া ঘুমানোর আগে দুই ঘন্টায় খান না রোনালদো, শরীরের বিশ্রামের জন্য পরিপূর্ণ সময় বরাদ্দ করেন।
প্রায় কোনো ক্ষেত্রেই খাবারে ছাড় নেন না
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছুটির দিনে সর্বনিম্ন খাবার ব্যবহার করেন। তিনি ফাস্ট ফুডের কোনো উপাদান নেন না। সেই দিন যখন তিনি ইউরোপে খেলছিলেন, তখন কোকাকোলার বোতল ছেড়ে পানি খাওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই ঘটনা পুরো বিশ্বে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
“চিনি আমাদের জন্য বিষ মানে। আমি রোনালদোকে কোনো খাবারে চিনি ব্যবহার করতে দেখিনি।”
রোনালদোর স্বাস্থ্যের সম্পূর্ণ সত্ত্বা দুইটি কারণে হয়েছে—বিশেষ করে ডায়েট আর অনুশীলন। প্রতিদিন তিনি তাঁর চার্ট অনুসারে খাবার নেন। বারোন মনে করেন যে রোনালদো প্রায় কোনো দিনই স্বাস্থ্য ধরনের অপরিশোধিত খাবার বর্জন করেন না। মেসির রুম নম্বরে নাকি লুকিয়ে আছে আর্জেন্টিনার চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ের ইশারা।
প্রতিদিন খেলোয়াড় যারা খাবারে ছুটি নেন না, তাঁদের রাতের খাবার বেশি করে দেওয়া হয় না। রোনালদো একটি সঠিক সময়ে ঘুমান এবং শরীর শক্তি ফিরে পায় এমন সময় বরাদ্দ করেন। তাঁর ফিটনেস ধরনে কোনো দ্বন্দ্ব নেই কারণ তিনি নিয়মিত করে খাবার আর পরিশ্রম করেন।
