নূর জাহান বেগমের মৃত্যু নিয়ে বুয়েটের অধ্যাপক ছেলে যা বললেন
ন র জ হ ন ব গম – বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম আশিকুর রহমান বলেছেন, “ঈদের দিন বিকেলে খাবার রান্না করে নিয়ে পরিবারসহ মাকে দেখতে গিয়েছিলাম। মায়ের সময়জ্ঞান ছিল না। মোবাইলে সময় দেখতে পারতেন না। তাই একটি দেয়ালঘড়ি নিয়ে গিয়েছিলাম এবং দেয়ালে তা টাঙানো হয়।” তিনি রাজধানীর মিরপুরের বাসায় মারা যাওয়া প্রবীণ নূর জাহান বেগমের ছোট ছেলে। তাঁর এক ছেলে সরকারের যুগ্ম সচিব।
ঘটনার পর বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে
৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি তাঁর মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে থাকতেন। মেয়ের ফ্ল্যাটেই মারা যান। মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ওই বাসার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, নূর জাহান বেগমের ঘরসহ পুরো ফ্ল্যাটের অবস্থা অত্যন্ত নোংরা, অস্বাস্থ্যকর। তাঁর ডান চোখে সাদা ফাঙ্গাসের মতো পড়ে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
পল্লবী থানার উপপরিদর্শক শামছুর রহমান বলেছেন, একজন নার্স সরকারের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে তিনি সেখানে গিয়ে দেখতে পান, বাসাটি বসবাসের অনুপযোগী ছিল। চারপাশ অত্যন্ত নোংরা। মরদেহটি বিছানায় পড়ে আছে, ডান চোখ ও পিঠে পোকা ধরেছে।
অধ্যাপক আশিকুর রহমান জানান, মায়ের মরদেহে এমন কিছু তিনি দেখেননি। তবে নূর জাহান বেগম যেভাবে নোংরা পরিবেশে মারা গেলেন, তা অস্বাভাবিক কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, “বিষয়টি কিছুটা অস্বাভাবিক, তা নিয়ে সমালোচনাও হতে পারে।” তিনি বলেন, মায়ের মধ্যে সবকিছু নিয়ে সন্দেহ করার প্রবণতা ছিল। অনেকটা সিজোফ্রেনিয়ার সঙ্গে মেলে।
২০০৮ সালে তাঁর বাবা মো. আবুল কাশেম বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনে (বিআইডব্লিউটিসি) চাকরি করতেন। আর বোন ফাতিমা নাসরীনের স্বামী ২০১৭ সালে মারা গেছেন। তাঁর কোনো ছেলেমেয়ে নেই। সে কারণে বাসায় মা–মেয়ে দুজনই থাকতেন।
আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর থেকে অনেকে বলছেন, ছেলেমেয়েরা মাকে দেখভাল করেনি। তবে সে তথ্য সত্য নয়। তিনি বলেন, মাকে তিনি ২০০৯ সালে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। ২০১১-২০১২ সালে তিনি দেশের বাইরে ছিলেন এবং তখন মাকে শাশুড়ির বাসায় রেখেছিলেন। ২০১৩ সালে আবার নিজের কাছে আনেন। মাত্র মাঝেমধ্যে চাঁদপুরের মতলবে নানাবাড়িতে গিয়েও থাকতেন।
২০২০ সালে করোনার সময় মায়ের চিকিৎসা করান। ২০২৪ সাল থেকে মা বোনের সঙ্গে থাকছিলেন। তিনি জানান, মায়ের পক্ষে কোনো একটি ওষুধ খেতেন বলে জানান। মায়ের মৃত্যু ঘটনার পর থেকে তিনি বলেন, ছেলেমেয়েদের কাজের মানুষ ঠিক করে প
