বগুড়া শহর থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে রেললাইন
বগ ড় শহর থ ক সর য় – বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প সংশোধন করে বগুড়া শহর এলাকা থেকে রেলপথ সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম একটি আধা সরকারি পত্রে উল্লেখ করেছেন যে রানীরহাট জংশন থেকে বগুড়া শহর স্টেশনে রেলসংযোগ সরিয়ে নেওয়া হবে এবং রানীরহাট জংশন থেকে গাবতলী স্টেশন পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের বর্তমান ব্যয় ১২ হাজার ৪৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বগুড়া শহর থেকে আট কিলোমিটার দূরে রানীরহাট জংশনে একটি নতুন সংযোগ স্থাপন করা হবে। সাথে সিরাজগঞ্জে আরও একটি জংশন নির্মাণ করা হবে। গাবতলী রেলস্টেশন অত্যাধুনিক করে বগুড়া শহরের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
বগুড়া ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (প্রশাসন) সালেকুজ্জামান খান বলেন, শহরে তিনটি রেলগেট আছে। প্রতিদিন প্রায় ১৪ বার ট্রেন পারাপারের জন্য রেলগেট বন্ধ রাখতে হয়। প্রতিবার ২০ মিনিট বন্ধ থাকলে দিন-রাতে প্রায় ৪ ঘণ্টার বেশি সময় যানবাহনের চলাচল বিস্তার লাগে। এতে শহরে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।
২০১৮ সালে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৮৭ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পে লুপ লাইন হবে ৩৩ কিলোমিটার। নতুন রেলপথ চালু হলে বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ হয়ে মাত্র ৫ ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছানো সম্ভব। দুই জেলার মধ্যে দূরত্ব ৭২ কিলোমিটার। ট্রেনে যাতায়াতের সময় বগুড়া থেকে ঢাকায় পৌঁছানো লাগে ১০-১১ ঘণ্টা।
বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত সরাসরি রেলপথ না থাকায় ট্রেনগুলো সান্তাহার, নাটোর ও পাবনার ঈশ্বরদী হয়ে প্রায় ১২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে চলাচল করতে হয়। এ কারণে সময়ের অপচয় এবং ভাড়া বেশি হয়। যানবাহনে ঢাকা পৌঁছানো লাগে ৬ ঘণ্টা সড়কপথে বলে সূত্রে জানা যায়।
প্রকল্পটির প্রথম ব্যয় ধরা হয
