Uncategorized

পাঁচ ইসলামী ব্যাংকে বিতর্কিত মালিকদের ফেরার সুযোগ বন্ধ করছে সরকার

পাঁচ ইসলামী ব্যাংকে বিতর্কিত মালিকদের ফেরার সুযোগ বন্ধ করছে সরকার প চ ইসল ম ব য ক - সরকার পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার সুযোগ তৈরি করেছে ব্যাংক

Desk Uncategorized
Published June 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পাঁচ ইসলামী ব্যাংকে বিতর্কিত মালিকদের ফেরার সুযোগ বন্ধ করছে সরকার

প চ ইসল ম ব য ক – সরকার পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার সুযোগ তৈরি করেছে ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের মাধ্যমে। এগুলো ব্যাংকের মোট ঋণের প্রায় ৭৯% খেলাপি হিসেবে গণিতে হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা। বিশ্বব্যাংকের আপত্তি রয়েছে এই বিতর্কিত ধারাটি নিয়ে।

বিএনপি সরকার গত ১০ এপ্রিল অন্তর্বর্তী সরকারের করা ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করে। সংসদে আইনটি পাস করার আগে সরকার আইনের কিছু পরিবর্তন করেছিল। সেই সময় আইনে নতুন ধারা ১৮ (ক) যুক্ত করা হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোন ব্যাংক রেজোল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে সম্পদ ও দায় নিয়ে তার শেয়ার ফেরত দিতে হবে। আবেদনকারী চাইলে নতুন কিছু ব্যক্তির সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য এ সুযোগ থাকবে।

মো. জাহিদ হোসেন, সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ বলেন, ধারা ১৮ (ক) বাতিল হলে তা হবে ভালো সংবাদ। তবে দেখতে হবে পুরোপুরি বাতিল হবে, নাকি বদলে আবার নতুন কিছু যুক্ত হবে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ মো. জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সংলাপ অব্যাহত রয়েছে। একটি শক্তিশালী ও মূলধনসমৃদ্ধ ব্যাংক খাত সমাপ্ত হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক চর্চার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কাঠামো প্রয়োজন। বিতর্কিত ধারাটি বাতিল করা সরকারের নিজস্ব সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত ছিল, কারণ এটি নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ অনুযায়ী ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়মের কারণে খেলাপি ঋণ নেওয়া হয়েছিল। এই সমস্যা প্রতিক্রিয়া হিসেবে গত ২৫ মে ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এখন এ অধ্যাদেশে বিতর্কিত ধারা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের আপত্তি এবং সরকারের সমালোচনাই ধারা বাতিল করার প্রধান কারণ। তাদের মতে, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন কমপক্ষে ১৬৫ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণসহায়তা পাওয়ার ব্যাপারে অনিশ্চয়তা তৈরি করে। এই আইন দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, খেলাপি ঋণ কমানো এবং আর্থিক খাত সংস্কার সম্পন্ন করা সম্ভব।

এদিকে বিএনপি সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১০টি অনুমোদন করেছে। অনেক অধ্যাদেশ পাস করার সময় সংশোধনী আনা হয়েছে। সেই মুহূর্তে ধারা ১৮ (ক) নামক সুযোগ রাখা হয়েছে। এই ধারার সমালোচনা শুধু বিশ্বব্যাংকের নয়।

খেলাপি ঋণ সম্পর্কে তথ্য দেখায়, এক্সিম ব্যাংকের খেলাপি ঋণ হার সর্বোচ্চ ৯৮% হয়েছে। ইউনি�

Leave a Comment