ভুলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগ, সুস্থ আছে শিশু ফাতিহা
ভ ল জল তঙ ক র ট – টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভুল দ্বারা একটি শিশুকে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে। ঘটনাটি গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘটেছে। সেখানে মোহাম্মদ কাইয়ুম নামে একজন স্বাস্থ্য পরিদর্শক এই টিকা দেন। তিনি ফাতিহা নামে ছয় মাস বয়সী শিশুটিকে কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন। এই ভুলের কারণে স্থানীয় সম্প্রদায়ে বিপাক ছড়িয়ে পড়ে।
ফাতিহার পরিবার জানায়, তারা শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তাদের আশেপাশে রয়েছে কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য সাধারণত নুরুল ইসলাম নামে স্বাস্থ্য পরিদর্শক। কিন্তু ওই দিন তিনি অনুপস্থিত থাকায় তার পরিবর্তে কাইয়ুম প্রয়োগ করেন। ঘটনাটি আরও গুরুতর হতে পারে বলে ভুলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগের ফলে কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিবরণ
বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুর বাবা ফারুক আহমেদ জানান, ফাতিহা তাদের ছাব্বিশা গ্রামে বড়িতে আছে। বর্তমানে শিশুটি কোনো সমস্যা হয়নি। তার মা জানায়, টিকা দেওয়ার পর শিশুটি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। ভুলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগের পরিস্থিতি পরিস্কার করতে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়।
ভুলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগের জন্য কাইয়ুম স্বাস্থ্য পরিদর্শক দাবি করেন, তিনি একটি ত্রুটি পূর্ব দেখে তার কারণে অনুতাপ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল তার পরিবর্তে অন্য কে করেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজাদ বলেন, এটি একটি গুরুতর ভুল। তিনি বলেন, ভুলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগ অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। কোনো বাড়াবাড়ি না করে সমস্যার প্রতি সতর্কতা দরকার ছিল। তবে তিনি জানান, কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে কিন্তু সেটি শিশুটির জন্য কোনো ক্ষতি করেনি।
এই ঘটনার পর স্থানীয় পরিবার ও বাসিন্তে বিপাক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে বলছেন, জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগের সময় সতর্কতা বাড়ানো দরকার ছিল। এই ভুলের কারণে এখন পরিবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ নজর দিচ্ছে। কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সুষ্ঠু প্রক্রিয়া পরিচালনার দরকার আছে।
এটি ঘটনা কোনো সমস্যা সৃষ্টি করেছে। এ ক্ষেত্রে অপরিচিত ব্যক্তি কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার কারণে সমস্যার সম্ভাবনা ছিল। ভুলে জলাতঙ্কের টিকা প্রয়োগের ফলে সম্পূর্ণ সুস্থতা নিশ্চিত করা হয়েছে। উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, এই ঘটনার পর অন্য কোনো ভুল ঘটবার সম্ভাবনা নেই।
