খায়রুল হককে গ্রেপ্তার ও হয়রানি না করতে নির্দেশনা চেয়ে রিট, শুনানি রোববার
খ য়র ল হকক গ র প – পূর্ববর্তী প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে একটি স্পষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার দেখানো এবং তাঁকে হয়রানি করা না হওয়ার আবেদন করে রিট আবেদন করা হয়েছে। হাইকোর্ট আগামী রোববার শুনানি সম্পন্ন করার জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন। বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চটি আজ বৃহস্পতিবার শুনানির তারিখ ঘোষণা করেন।
পৃথক পাঁচটি মামলার বিষয়ে খায়রুল হক গত ৩০ মার্চ গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তিনি রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানার দুটি হত্যা মামলায় তার গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া বৈধতা নিয়ে রিট করেন। গত বুধবার সেই আবেদনটি আদালতের কার্যতালিকায় চূড়ান্ত হয়।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, মোতাহার হোসেন সাজু ও মোস্তাফিজুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ ছিলেন। পরে আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন বলেন, “রিটটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসে। শুনানি পরে রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন জানায়। আদালত রোববার দুপুর সময় নির্ধারণ করেন।”
খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন। তাঁর পরিচালিত আপিল বেঞ্চ তাঁর নেতৃত্বে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলের কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদের হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তিনি কারাগারে অবস্থিত ছিলেন।
যুবদলের কর্মী আবদুল কাইয়ুম হত্যা মামলা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে পৃথক চারটি মামলায় হাইকোর্ট খায়রুল হককে জামিন দেন। ১১ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় তিনি জামিন পেয়েছিলেন।
হাইকোর্ট দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে। আপিল বিভাগ গত ২৮ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন। ফলে জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলের কর্মী হত্যাসহ পৃথক পাঁচটি মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল থাকে।
