সহস্রাধিক আঞ্চলিক গানের স্রষ্টা অনিল হাজারিকা চিকিৎসার জন্য সরকারি সহায়তা চান
গান ও ভাষার সংরক্ষণে ভূমিকা
সহস র ধ ক আঞ চল ক – অনিল হাজারিকা (৭০) বৃহত্তর যশোরের আঞ্চলিক শব্দসমূহকে রক্ষার সাথে স্থানীয় ভাষার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি নানা আঞ্চলিক গান রচনা করেছেন যেগুলো রেডিও এবং টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অসুবিধার কারণে গান লেখার ক্ষমতা হারিয়ে গেছে।
‘এখন আর গান করতে পারি না’ বলে তিনি দুঃখ করেন।
তিনি বর্তমানে তান্ত্রিক চালার ঘরে বসবাস করছেন এবং স্ত্রী জ্যোৎস্না হাজারিকাকে নিয়ে দুই মেয়ের বিয়ের পর সেখানে থাকছেন। অনিল হাজারিকা তাঁর পরিবারের দরিদ্রতার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারি সহায়তা চান।
পরিবার ও শিক্ষার প্রতি সম্পর্ক
অনিল হাজারিকার বাবা হাজারী লাল তাঁর গানের ক্ষেত্রে আদর্শ স্থাপন করেছিলেন। তিনি খুলনা বেতারের সাথে যুক্ত হন ১৯৮৫ সালে। ছাত্র হিসেবে তাঁর পরিবারের কাছে রেখে গেছেন স্কুলে যাওয়ার সুযোগ না পেয়ে অনিল হাজারিকা কাজে যুক্ত হন।
তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না হাজারিকা বলেন, পরিবার খুব দরিদ্র। অনিল হাজারিকা পাঁচ বছর আগে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। চার লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসার জন্য।
আশা ও সম্মাননা
অনিল হাজারিকার আঞ্চলিক গানগুলো রক্ষার সুযোগ হয়েছে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগ, যশোরের নৃত্যবিতান এবং মাগুরা শিল্পকলা একাডেমি থেকে সম্মাননা পেয়েছেন।
অনিল হাজারিকা ইতিমধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগ, যশোরের নৃত্যবিতান এবং মাগুরা শিল্পকলা একাডেমি থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি আশা করেন সরকার তাঁকে আর্থিক সহায়তা করবে এবং আবারও গানের জগতে ফিরে আসতে পারবেন।
শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হাসান চৌধুরী জানান, অনিল হাজারিকা যদি জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেন, তাহলে তিনি তা বিবেচনা করবেন।
