হলগুলোতে ‘শান্তি’ ফিরলেও অনেক কিছুই ‘আগের মতো’
হলগ ল ত শ ন ত ফ – প্রাধ্যক্ষ দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল প্রভোস্টদের কাছে হাতছাপা দেওয়ার পর স্বচ্ছতার কিছু পরিবর্তন ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ আবাসিক স্থান বণ্টনে নতুন আসননীতি প্রবর্তন করেছে যেখানে বিভাগগুলির প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। হল প্রভোস্টদের কাছ থেকে খালি আসনের তালিকা সংগ্রহ করে আসন বণ্টন কমিটি কাজ করে। প্রাধ্যক্ষ ছাত্রদের প্রতিযোগিতার উপর ভিত্তি করে আসন বরাদ্দ করেন।
রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগে ছাত্র হলগুলোতে অপরাধ ও নির্যাতন দেখা দিত। ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত গ্রুপগুলি আসন বণ্টনে নিয়ন্ত্রণ করত। নেতাদের আদেশ মানা না হলে শিক্ষার্থীকে গেস্টরুমে নিয়ে আসা ছিল সাধারণ। ক্যাম্পাসে মাদক ও ছিনতাই প্রতিদিন ঘটত। হলে স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করতে নেতাদের মিছিল ও বৈঠক আয়োজন করা হত।
বর্তমানে আসন বণ্টন প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব কমেছে। হল প্রভোস্টদের পরিচালনায় শিক্ষার্থীদের সুবিধা পেতে সম্ভবত কোনো উৎপাত নেই। বর্তমান সংস্কৃতি এখনো স্থবির আছে। ছাত্র হলগুলোতে পূর্বের মতো কমিটি কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।
নীতিমালা আবিষ্কারের পরিণতি
৫ আগস্ট থেকে আবাসিক হলগুলোতে আগের সব আসনের বরাদ্দ বাতিল করে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালার মতো আসন বরাদ্দ বিভাগগুলির প্রস্তাব নির্ধারণ করে। এ কারণে ছাত্র হলগুলোতে অনেক কিছু আগের মতো আছে। কমিটি এবং প্রাধ্যক্ষ দুজনে সমন্বয় করছেন।
“আসন বণ্টনে স্বচ্ছতার জন্য হল প্রভোস্টদের কাছ থেকে খালি আসনের তালিকা সংগ্রহ করে। সেই তালিকা থেকে আনুপাতিক হারে বিভাগগুলির প্রস্তাব বিবেচনা করে আসন বরাদ্দ করে।” — হল আসন বণ্টন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
গত দেড় বছরে আবাসিক হলে কোনো নির্যাতনের খবর পাওয়া যায়নি। আগের মতো হলে প্রায়ই মিছিল ও বৈঠক দ্বারা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হত। নূতন নীতিমালার কারণে বর্তমানে হল মধ্যে শান্তি ফিরেছে। বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।
৫ আগস্টের আগে হল প্রাধ্যক্ষ দ্বারা পরিচালিত ছিল। সেই সময় ছাত্রলীগ নেতারা খাবার বণ্টনে কোনো দাবি করতেন না। ক্যানটিন ও ডাইনিং পরিচালকদের কাছ থেকে শিক্ষার্থীদের খাবারের সুবিধা পেতেন। একাধিক সুবিধার নামে খাবারের মান খারাপ করা হত। হল বিভাগীয় সুপারিশ অনুযায়ী আসন বরাদ্দ করা হচ্ছে।
“হলে এখন শান্ত পরিবেশ। সবাই যাঁর যাঁর মতো করে চলাফেরা করেন। পড়াশোনা করেন। আগের মতো মধ্যরাতে মিছিল–মিটিং এবং ঘুম ভেঙে মারামারি—এসব দৃশ্য আর নেই।” — শাহপরাণ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শেখ ফরিদ
বর্তমানে হলের ডাইনিংয়ে খিচুড়ি-ছোলা-ডিমের দাম রাখা হয় ৩৫ টাকা। ক্যানটিনে দাম পড়ে ৪০ ট
