বংশালে হার্ডওয়্যারের দোকানে আগুন, দগ্ধ ৩
ব শ ল হ র ডওয় য – বংশাল হার্ডওয়্যারের দোকানে আগুন লেগে তিনজন কর্মচারী জ্বালানী নিক্ষেপ করেছেন। ঘটনার পর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁদের চিকিৎসা চালু করা হয়েছে। আগুন সোমবার সকালে ঢাকার বংশাল এলাকায় ঘটেছে। তিন কর্মচারী আগুনে আহত হয়েছেন, যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা চালু করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।
আগুনের কারণ ও প্রসার
বংশাল হার্ডওয়্যার দোকানটি টেকেরহাট লেনে অবস্থিত। আগুনটি সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঘটেছে। দোকানটির ম্যানেজার রাফিন হোসেন জানান, ঈদ উপলক্ষে দোকানটি কয়েক দিন বন্ধ ছিল। সোমবার সকালে তিন কর্মচারী দোকানে প্রবেশ করেন। তাঁদের সুইচ চালু করার সময় বৈদ্যুতিক স্পার্ক এবং গুদামে জমা গ্যাসের মিলনে আগুন লেগেছে। এই ঘটনার পর দোকানের ভেতরে আগুন প্রায় এক ঘন্টা ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
“তাঁদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গৃহীত হয়েছে। বংশাল হার্ডওয়্যার দোকানে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লেগেছিল। ঘটনার পর কর্মচারীদের উদ্ধার করা হয়েছে।”
দোকানটি নিয়মিত পরিচালনা করে রাফিন হোসেন। তিনি জানান, প্রাকৃতিক উপস্থিতি ছাড়া আগুন ঘটার কারণ স্পষ্ট হয়েছে। তিনি এটি ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন। বংশাল হার্ডওয়্যার দোকানের স্থান ও পরিবেশের বিশেষত্ব জানানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে তিনজন কর্মচারী নিয়ে তদন্ন শুরু হয়েছে।
আহতদের অবস্থা ও চিকিৎসা
আগুনে আহত হওয়া তিন কর্মচারীর শরীরে বিভিন্ন হারে জালানী পড়েছে। তাঁদের মধ্যে মিরাজুল ইসলামের দুই শতাংশ, মো. ইফাত হোসেনের দুই পঞ্চাশ শতাংশ এবং রকি হোসেনের দুই বিশ শতাংশ পরিমাণ জ্বালানী ঘটেছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রবেশ করানো হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা পরে তাঁদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রবেশ করানো হয়েছে।
আগুনটি নিয়ন্ত্রণে আসার পর তদন্ন করা হয়েছে। বংশাল হার্ডওয়্যার দোকানে আগুনের কারণ সম্পর্কে তদন্ন চলছে। আহতদের অবস্থার জন্য কার্যত কোন গুরুতর ক্ষতি হয়নি। তবে তাঁদের জ্বালানী পরিমাণ ও চিকিৎসা বিষয়ে অধিক তথ্য সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে।
বংশাল হার্ডওয়্যার দোকানটি সাধারণত অনেক গ্রাহকের সাথে যুক্ত। দোকানে প্রায় প্রতিদিন অনেক সামগ্রী বিক্রি হয়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্�
