Uncategorized

দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে ‘ভয়ংকর চাঁই’, নিধন হচ্ছে লাখ লাখ পাঙাশের পোনা

দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে ‘ভয়ংকর চাঁই’, নিধন হচ্ছে লাখ লাখ পাঙাশের পোনা দক ষ ণ ঞ চল র নদ - দক্ষিণাঞ্চলের নদীসমূহে অনুমোদিত হয়নি চাঁইয়ের মুক্ত ব্যবহার। দেশীয়

Desk Uncategorized
Published May 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে ‘ভয়ংকর চাঁই’, নিধন হচ্ছে লাখ লাখ পাঙাশের পোনা

দক ষ ণ ঞ চল র নদ – দক্ষিণাঞ্চলের নদীসমূহে অনুমোদিত হয়নি চাঁইয়ের মুক্ত ব্যবহার। দেশীয় মাছের জন্য সৃষ্টি করা বংশবিস্তারে এসব চাঁই একটি হুমকি হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। বিশাল আকৃতির চাঁইয়ে প্রতিদিন নিধন হচ্ছে পাঙাশের পোনা। গত কিছু মাস ধরে সংগঠিত একটি চক্র অবৈধভাবে চাঁই ব্যবহার করে আসছে। মৎস্য বিভাগ পরিদর্শনে কিছু চাঁই জব্দ করলেও মূল চক্রটি আজও নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে।

সরকারি নিয়মানুযায়ী, পাঙাশ ধরা নিষিদ্ধ হয়েছে বিশালাকৃতির চাঁই ব্যবহারে। তবে আইন প্রয়োগ ও জেলেদের জানা নেই কিছু বিষয়। বাউফল উপজেলার একটি সংগঠিত গোষ্ঠী এগুলি তৈরি করছে। এসব চাঁই মূলত বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি হয়েছে। প্রতি দিন চাঁইয়ে লাখ লাখ পাঙাশের পোনা ধরা হচ্ছে।

একজন জেলে বলেন, অন্তত প্রতিটি চাঁইয়ে দু-তিনজন মানুষ ঢুকতে পারেন। একেকটিতে আড়াই থেকে তিন মণ মাছ ধরা পড়ে।

বরিশালের মেঘনা নদীতে অনুমোদিত হয়নি চাঁই ব্যবহার। মৎস্য বিভাগ অভিযান চালালে সাধারণত এগুলো উদ্ধার করা কঠিন হয়। বাউফল উপজেলার তানজিন মোল্লা ও মো. জোবায়ের নামে দুই জেলেকে আটক করা হয়েছিল।

ট্যাংরা মাছ বলে বিক্রি হচ্ছে ছোট পাঙাশের পোনা। বিশালাকৃতির চাঁইয়ে ধরা পাঙাশের পোনা বাজারে ট্যাংরা হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। মৎস্য বিশেষজ্ঞরা জানান, ট্যাংরা মাছের পিঠ কালচে এবং পেট রুপালি-সাদা হয়। এদের ফুলকা ধূসর-বাদামি রঙের হয়ে থাকে।

গবেষণার প্রকাশ্য হয়েছে ভয়াবহতা। একটি গবেষণায় উঠে এসেছে বিশালাকৃতির চাঁই দ্বারা পাঙাশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ স্থান বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এটি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, “আমরা পাঙাশের প্রজননক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করেছি। এগুলো ক্যাটফিশ জাতীয় মাছের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

অপেক্ষাকৃত গভীর স্থানে চাঁই বসানো হয়। সেগুলো বিক্রি হয় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকায়। মৎস্য বিভাগ পরিদর্শনে কিছু চাঁই উদ্ধার করেছিল। গত কয়েক দিনে মেঘনা নদীতে দুটি বড় চাঁই খুঁজে পাওয়া হয়েছিল। প্রতি কেজি পাঙাশের পোনার মূল্য তিন থেকে সাত ইঞ্চি আকারে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায় হয়েছে।

বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির সাথে জেলেদের জানা নেই যে ট্যাংরা ও পাঙাশ আলাদা প্রজাতি। খুচরা মাছ বিক্রেতারা এগুলো একটি মাছ হিসেবে বিক্রি করছে। পাঙাশ পোনার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল ও অন্যান্য জেলার বাজারগুলোতে। নিষিদ্�

Leave a Comment