মাছ ধরার মজার স্মৃতি
ম ছ ধর র মজ র স – মাছ ধরার মজার স্মৃতি আমার স্বাচ্ছন্দ ও বিপুল সামগ্রিক ভাবে বাঁধা হয়েছিল বর্ষার সময়ে সন্ধ্যা নদীর তীরে। এই স্নিগ্ধ ও প্রাকৃতিক ক্ষেত্রে ছোটো শিশু বয়সে আমি সাঁতার কাটতে আর মাছ ধরার প্রতিযোগিতা করতে মন জুড়ে রেখেছিল। গ্রামে সেই সময় মাছ ধরার বিভিন্ন পদ্ধতি ছিল—চাঁই, জাল আর ছোটো বড়শি ব্যবহার করে। মাছ ধরার মজার স্মৃতি আমার জীবনে অপরিহার্য হয়ে আছে।
প্রাথমিক বিপুল সামগ্রিক অভিজ্ঞতি
সন্ধ্যা নদীর উপর একটি সুন্দর চর ছিল। বর্ষার সময় পানি ভাটা করে উপচে পড়তে পারে। আমি ছোট হাতে সেই চরে বেড়াতে আর মাছ ধরার কাজে যুক্ত হতে মন জুড়ে রেখেছিল। ছোট ছোট মাছের সাথে সম্পর্ক নির্মাণ করে আমি প্রতিটি কাজে সুখ আর বিপুল সামগ্রিক আনন্দ খুঁজতে থাকতাম। মাছ ধরার মজার স্মৃতি আমার অনেক প্রতিযোগিতা করার সময় জেগে আছে।
প্রথম সময়ে চাঁই বসানো ছিল আমার প্রাথমিক আনন্দের মুখ্য উপাদান। আমরা পাতা দিয়ে চাঁইয়ের দুই পাশ ঘিরে দিতাম যেন মাছ তাতে ঢুকত। ভাটার সময় জাল টানলে মাছের ছটফট শব্দে মন ভরে যেত। মাছ ধরার মজার স্মৃতি আমি মনে মনে প্রতিটি মুহূর্তে পুনরাবৃত্তি করে থাকি।
স্মৃতির মুখ্য ঘটনা
আহ্, সে কী আনন্দ! মাছ ধরার মজার স্মৃতি আমার জীবনে অনন্য ছিল। বড়শিতে কেঁচো গেঁথে খালে চিংড়ি মাছ ধরতাম। কিছুক্ষণ আমার কিছু সময় খুব বেশি কষ্ট হত কিন্তু সেই কষ্টের মধ্যে আমি একটি অপূর্ব মাছ ধরার প্রতিযোগিতা করেছিলাম।
সন্ধ্যা নদীর বিশাল পুকুরে ছিল একটি শোল মাছ। সেই মাছটি পানির নিচে ডুবে আবার মাথা তুলত। সবাই দেখত কিন্তু কেউ ধরতে পারত না। প্রায় দশবার চেষ্টা করার পর আমি সেটি ধরতে সক্ষম হয়েছিলাম। মাছটি ধরার পর মনে হয়েছিল যেন পৃথিবী জয় করেছি।
মাছ ধরার মজার স্মৃতি আমার আরও একটি সময়ে ছিল। গ্রামের ছোট ছেলেদের সাথে নৌকায় জাল নিয়ে চরে যাওয়া ছিল একটি আনন্দের অংশ। দুষ্টুমিও কম করতাম না যখন মাছ ধরার প্রতিযোগিতায় আমাদের হাতে সেই লজ্জার মুহূর্তে একজনের লুঙ্গি নদীর স্রোতে ভেসে যায়।
গ্রামে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যেত চিংড়ি মাছ। কিন্তু মাঝেমধ্যে ঢোঁড়া সাপ বা মাছুয়াপোনা সাপ আসতে পারে যার কাঁটায় আঙুল ফুলে যেত। কিছুক্ষণ আমি গোপনাঙ্গে জোঁক লেগেছিল। তাড়াহুড়া করতে গিয়ে বড়শিতে বড় রুই মাছ ধরতে সক্ষম হয়েছিলাম। মাছ ধরার মজার স্মৃতি এই মুহূর্তে পুনরাবৃত্তি হয়েছিল।
গ্রামের বয়স্ক মানুষদের মাছ ধরার সময় আমার আরও একটি অভিজ্ঞতি ছিল। খলিল ভাই আর সোহরাব ভাই তাঁরা মাছ ধরার বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তাঁদের কথাগুলো বেশির ভাগ সময়ই সত্যি হতো। মাছ ধরার মজার স্মৃতি আমার সম্পূর্ণ জীবনে স্থায়ী হয়ে আছে।
