জাপানের ‘কাইজেন’ পদ্ধতি যেভাবে আপনার জীবন বদলে দিতে পারে
জ প ন র ক ইজ ন – এক দিন আপনি কি ভেবেছেন যে কাল থেকে আপনার জীবন দ্রুত ভালো হয়ে যাবে? তাই সকালে উঠে ব্যায়াম করতে চাই, বই পড়তে চাই, স্ক্রিনটাইম কমাতে চাই… কিন্তু পরদিন অ্যালার্মটা চলে গেছে, তারপর আপনি কোনো কাজ করেননি। মাঝে মাঝে বেশির ভাগ সময় আপনি নিজেকে জোর করে লাইনে রেখেছেন, যেদিন নিয়মিত ভাবে কাজ করতে পারেননি। কিন্তু সেই অপরাধবোধ বা হতাশার কারণ হতে পারে আপনার পদ্ধতির অনুপযোগিতা।
কাইজেন কী করে বিশ্ব পরিবর্তন ঘটায়
বর্তমানে তরুণদের মধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তারা সমাপ্ত হওয়ার আশা করে। বাইরে অন্যদের সফলতা দেখে বিশ্বাস করেন যে সব এক দিনে ঠিক হবে। কিন্তু বাস্তবে সফলতা সবসময় শুধু এক রাতে ঘটে না। তবে জাপানের মাসাকি ইমাই লেখক তাঁর বই ‘কাইজেন: দ্য কি টু জাপানস কম্পিটেটিভ সাকসেস’ এর মাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর ধারণা প্রকাশ করেন।
‘কাইজেন’ শব্দটি কাই (পরিবর্তন) ও জেন (ভালো) শব্দের মিশ্রণ। এটি বলে থাকে ভালো হওয়ার জন্য দিনের পর দিন ছোট ছোট উন্নতি করা। পরিশ্রম ও অধ্যবসায় বিশ্বমানের বিশ্ব নির্মাণে সাহায্য করে এ পদ্ধতি টয়োটার মতো প্রতিষ্ঠানগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আপনার বদলে দেয় দিক।
ডাকওয়ার্থ বলেছেন, মেধা দক্ষতা তৈরি করে, কিন্তু পরিশ্রম সেই দক্ষতাকে সাফল্যে পরিণত করে। তাঁর বই ‘গ্রিট: দ্য পাওয়ার অব প্যাশন অ্যান্ড পার্সিভিয়ারেন্স’ থেকে জানা যায় যে সফলতার জন্য শুধু উত্তেজনা বা ভালোবাসা প্রয়োগ করা যেতে হবে। অনুপ্রেরণা ছাড়া ধীর পদক্ষেপ আবশ্যক।
অধ্যাপক রাউফুন নাহার বলেছেন, ছোট কাজ করা আবশ্যক। একটা পাতা হলেও বই পড়ুন, পাঁচ মিনিট হাঁটুন বা আপনার ডায়েরিতে দুটো শব্দ লিখুন। কাল থেকে ভালো হয়ে যাবে আচমকা এই বিরাট সিদ্ধান্ত না নিলেও চলবে। আপনি প্রতিদিন কিছু করুন যা ব্যর্থতার প্রকৃতি করতে পারে না। পাহাড়ের চূড়া নিশ্চয়ই দাঁড়িয়ে স্পর্শ করা যায় না। যেখানে নিয়মিত উন্নতি হল আপনার সফলতার পথ।
দীর্ঘ পরিশ্রম করতে হবে না অবিচল হবে
মানুষ এক দিনে কথা বলতে শেখে না, হাঁটতে শেখে না বলে বিশ্বাস করেন যে সব বদলে যাবে এক ঝটকায়। কিন্তু এক পদক্ষেপে প্রতিদিন ছোট কাজ করতে গিয়ে বেশি সফলতা সম্ভব। আপনি নিজের মূল্যবোধ ও প্রয়োজনের সঙ্গে মিল রেখে লক্ষ্য ঠিক করলে দীর্ঘ মেয়াদে তা ধরে রাখার সম্ভাবনা বাড়ে। মাঝপথে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়। তখন আপনার বেশি পরিশ্রম আর বিরতি মিলে যায়।
তবে মনে রাখুন যে থামা যাবে না, থাম
