একটি ট্রেন মিস যেভাবে বদলে দিল আলোচিত ব্যান্ডটির গল্প
একট ট র ন ম স য – ১৯৯৩ সালের ৩১ মে ক্রিয়েশন রেকর্ডসের নিয়ন্ত্রক অ্যালান ম্যাকগি গ্লাসগো থেকে লন্ডনের দিকে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তিনি তার বিশেষ ট্রেনটি মিস করেন। সময় বয়ে নিয়ে তিনি সেখানে আরেকটি কনসার্টে অংশ গ্রহণ করেন। এই অবসরে তাঁর চোখে পড়ে তখনকার সময়ে অপরিচিত ম্যানচেস্টার ব্যান্ড ওয়েসিস। এই প্রথম দর্শন তাদের উত্থানের প্রারম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়।
তবে কনসার্টে ব্যান্ডটি আলোচিত হয়নি। ম্যাকগি তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস পায়, যে কারণে তিনি শীঘ্রই ওয়েসিসের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। এই সিদ্ধান্ত ব্রিটিশ রক সংগীতের ইতিহাসে এক নতুন পরিচয়ের চিহ্ন হয়।
১৯৯১ সালে বেজিস্ট পল ম্যাকগুইগান, পল আর্থারস, টনি ম্যাকক্যারল এবং ক্রিস হাটন নামে গড়ে ওঠে ব্যান্ড ‘দ্য রেইন’। হাটন ও অন্যান্য সদস্যদের মতো মিল না পাওয়ায় ব্যান্ডের নতুন ভোকালের খোঁজ শুরু হয়। এই সম্পর্কে অডিশনে অংশগ্রহণ করেন লিয়াম গ্যালাগার, যিনি ব্যান্ডের নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘ওয়েসিস’। পরে তাঁর ভাই নোয়েল গ্যালাগার যোগ দেন, যার সাথে ব্যান্ডটি সাউন্ড ও গান লেখার জন্য সংগঠনে অগ্রাধিকার পেয়েছিলেন।
১৯৯৪ সালের ২৯ আগস্ট বিশ্বজুড়ে প্রথম অ্যালবাম ‘ডেফিনেটলি মেবি’ প্রকাশিত হয়। এটি শুধু ইংরেজিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে সফলতা পেয়ে এই অ্যালবাম ব্রিটপপ আন্দোলনের মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। আলবামটি যুক্তরাজ্যে মুক্তির প্রথম সপ্তাহে রেকর্ড ৩ লাখ ৪৫ হাজার কপি বিক্রি হয়। দ্রুতই এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
এই সাফল্যই ব্যান্ডটিকে দ্রুত ব্রিটপপ যুগের এক পুরো প্রজন্মের সাউন্ডট্র্যাক হয়ে ওঠে।
১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘হোয়াটস দ্য স্টোরি মর্নিং গ্লোরি’। এই অ্যালবাম ওয়েসিসকে বিশ্বজুড়ে সুপারস্টার বানিয়ে দেয়। ‘ওয়ান্ডারওয়াল’, ‘ডোন্ট লুক ব্যাক ইন অ্যাঙ্গার’ এবং ‘শ্যাম্পেইন সুপারনোভা’ এমন গান হয়ে ওঠে যে সময়ের সবচেয়ে আইকনিক রক গানের তালিকায় জায়গা করে নেয়।
১৯৯৭ সালে আসে তৃতীয় অ্যালবাম ‘বি হেয়ার নাউ’। মুক্তির সঙ্গে
