ইউক্রেনের হয়ে সেনাদের বদলে লড়ছে রোবট, রাশিয়ার কি চাপ বাড়ল
ইউক র ন র হয় স ন – অস্পষ্ট ছবিটি প্রায় পরিষ্কার হতে চার মিনিট সময় নিল। শব্দ শুনা যায় না, কেবল ধুলো ফুর্তি হয়েছে। আর তারপর ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। অবদিভকা এবং বাখমুতের মতো শহরে বসে সম্পূর্ণ রোবট ও ড্রোনের মাধ্যমে যুদ্ধের সবচেয়ে অভিজ্ঞ সৈনিকরা নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করছেন। এই যুদ্ধে শত্রু হত্যার অনুভূতি তাঁরা স্পর্শ করতে পারেন না, ঘ্রাণ পান না বা কাছ থেকে দেখতেও পান না।
গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেন, সম্পূর্ণ রোবট ও ড্রোনের মাধ্যমে তাঁরা প্রথম কোনো রুশ ঘাঁটি দখল করেছেন। জানুয়ারি থেকে চালকবিহীন মেশিনগুলো ২২ হাজার মিশন পরিচালনা করেছে। কম্পিউটার প্রসেসরের ফ্যানের কমলারঙের আলো এবং মাথার ওপরে হালকা আলোর নিচে টিকে থাকার লড়াই থেকে এই নতুন আবিষ্কার।
প্রযুক্তির ক্ষমতা নির্ভুলতা এবং শক্তি
ইউক্রেনের বর্তমান নীতি হলো, প্রতি মাসে ৩৫ হাজার রুশ সেনাকে হত্যা বা আহত করা, যা তারা এই বছর অর্জন করতে পেরেছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, ক্রেমলিনকে বাধ্য করা, যাতে তারা বড় শহর এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকে অস্বস্তিকর ও অপ্রিয় উপায়ে সৈন্য নিয়োগ করতে বাধ্য হয়। নতুন তথ্যের বরাত দিয়ে গত বুধবার যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা জিসিএইচকিউয়ের এক হিসাবে বলা হয়েছে, রাশিয়ায় মোট নিহত সৈন্যের সংখ্যা পাঁচ লাখে পৌঁছেছে।
তখনকার দিনে আমি এমন কিছু কল্পনাও করতে পারতাম না। এখন বুঝতে পারছি, সেই সময়ে এ ধরনের সরঞ্জাম থাকলে আমার আরও অনেক কমরেড বেঁচে যেতেন।
থার্ড অ্যাসাল্ট ব্রিগেডের ‘এনসি১৩’ ইউনিট হিসাব করে দেখেছে, ১৬৪টি আক্রমণে রোবট দিয়ে যে কাজ হয়েছে, সেই একই ফলাফল পেতে তাদের ২ হাজার ৩০০ সেনা লাগত। এমন আক্রমণে তারা তাদের ইউনিটের অর্ধেক সেনা নিহত বা আহত হতেন। এর অর্থ হলো, তাদের সামনের স্ক্রিনে থাকা চালকবিহীন, হেলেদুলে চলা এই বোমাগুলো এমন একটি প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, যা এক হাজার ইউক্রেনীয়র জীবন বাঁচিয়েছে।
ইউক্রেনের এই পদ্ধতি মূলত জনবলসংকট থেকে তৈরি হয়েছে। রাশিয়ার চার বছরের হামলার কারণে তাদের কম জনসংখ্যার দেশটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু কিয�
