দুদিন পর জ্ঞান ফিরলে মারা গেছে শ্বশুর, স্বামী আর সাড়ে তিন বছরের মেয়েটি
দ দ ন পর জ ঞ ন – যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার গাইদঘাট এলাকায় ঘটে যায় একটি ধাক্কা দুর্ঘটনা। দুদিন পর জ্ঞান ফিরলে সাবরীনা জাহান জানতে পারেন যে গাড়িতে বসা শ্বশুর, স্বামী আর সাড়ে তিন বছরের মেয়েটি মারা গেছে। তাঁর কাছে কোনো আশা নেই দুর্ঘটনার পর তিনি দাফন করার ছবি দেখতে চান না।
তিন সদস্যের মৃত্যু ঘটেছে গাড়িতে
গাড়িতে বসেছিলেন শ্বশুর আবদুল মজিদ সরদার ও স্বামী মাহমুদ হাসান জাকারিয়া। তাঁদের সাথে ছিলেন সাবরীনা, তাঁর ১২ বছর বয়সী ছেলে সামিন আলমাস, সাড়ে তিন বছরের মেয়ে মাহাদিয়া হাসান সেহরিশ আর শাশুড়ি মিনোয়ারা বেগম। ব্যবসায়ী জীবনের আঘাত খাওয়া শ্বশুর আর স্বামী দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যশোর-মাগুরা মহাসড়কে ধাক্কা খেয়েছিল। শাশুড়ি মিনোয়ারা বেগমের পায়ে হাড় ভেঙে গেছে। আগে থেকে তাঁর পায়ে ‘ডিভাইস’ লাগানো ছিল। দুর্ঘটনার ফলে সেটি সরে গেছে ভেতর থেকে। পরিবার বাবা ও ছেলের লাশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে।
“আমি চিৎকার করে জানতে চাই—ওরা মারা গেছে? দাফন হয়ে গেছে?”
সাবরীনার জ্ঞান ফিরে যাওয়ার আগে তিন মানুষের দাফন হয়ে যায়। গাড়িতে বসা সাড়ে তিন বছরের মেয়েটি তাঁর আদর সদস্য ছিল। তিনি ছোট সেহরিশ মারা যাওয়ার খবর পেয়ে মারা গেছে মারা গেছে পরিবারের আঘাত খাওয়া সদস্য। স্বামী ছোট বাচ্চাদের জন্য নুডলস রান্না করেছিলেন এক বুক হাহাকার নিয়ে।
ঘটনাস্থলে কী ঘটেছিল তার পরিচয়
গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছোট বাচ্চাদের লাশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। সাবরীনা জাহান যশোরে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারানো গাড়িতে দুদিন পর জ্ঞান ফিরিয়েছেন শ্বশুর, স্বামী আর মেয়েটি মারা গেছে। আরও ঘটনাস্থল থেকে ছোট সেহরিশের জ্ঞান ফিরার আগে তিন মানুষের দাফন হয়ে যায়।
যশোরের জেনারেল হাসপাতালে সাবরীনা এবং ছেলে ভর্তি হয়। সাড়ে তিন বছরের মেয়েটি ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শাশুড়ি হারিয়েছেন স্বামী, ছেলে আর মেয়েটির জন্য। শ্বশুরের আঘাত খারাপ হয়েছিল যে প্রায় তাঁকে ঢা�
