তাকওয়া এবং মুত্তাকি কাকে বলে
ত কওয ক এব ম ত ত – মানুষের জীবনে পাপ এবং পুণ্য একত্র থাকে। কেউ সম্পূর্ণ নিষ্পাপ হতে পারে না, কিন্তু কেউ শুধু পাপে ডুবে থাকে না। আল্লাহ তাআলার বাণী মানুষকে তাকওয়া ও মুত্তাকি হওয়ার গুরুত্ব বর্ণনা করেছে।
মুত্তাকি কাকে বলে
অনেকে মনে করেন মুত্তাকি ব্যক্তি গুনাহ করে না। কিন্তু কোরআনে এটি অর্থ দিয়েছেন যে মুত্তাকি হলো আল্লাহভীতি বিশিষ্ট ব্যক্তি। যখন শয়তানের প্ররোচনা তাদের স্পর্শ করে, তখন তারা তাকওয়ার মাধ্যমে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
(সুরা আরাফ, আয়াত: ২০১-২০২)
তাকওয়ার গুরুত্ব
তাকওয়া হলো সতর্কতা ও প্রতিশোধের মূল ধারণা। ক্রোধ বা লোভ কোনো বান্দাকে গুনাহ করতে ধুকায়, কিন্তু তাকওয়ায় তারা আল্লাহকে স্মরণ করে নিজেকে বিরত রাখতে পারে।
(সুরা নাজিয়াত, আয়াত: ৪০-৪১)
পাপ থেকে ফিরে আসার পন্থা
গুনাহ করার পর মুত্তাকি ব্যক্তি অপরাজেয় হয় না। তারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইয়ে তওবা করে। সুনানে তিরমিজির হাদিস অনুসারে, দুই রাকাত নামাজ পড়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা যথেষ্ট হতে পারে।
(সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৪০৬)
তাকওয়ার গভীর স্তর
তাকওয়ার অপর পর্যায় হলো ভুলের কারণে গুনাহ হওয়ার পর দ্রুত তওবা করা। মুত্তাকির বৈশিষ্ট্য হলো তারা নিজেদের গুনাহের জন্য আন্তরিক অনুশোচনা প্রকাশ করে।
(সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৫)
আল্লাহর রহমতের প্রমাণ
রাসুল (সা.) বলেছেন, এমন এক বান্দা যার গুনাহ আকাশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, তিনি ইস্তিগফার করলে আল্লাহ ক্ষমা করেন। হাদিসে তিরমিজি এই কথা বলেছেন, তোমার গুনাহ যদি আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়, আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করবেন।
(সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৪০)
তওবার তিনটি মূল স্তম্ভ
তওবা কেবল কথাগুলো বলা নয়, বরং তিনটি মূল দাবী পূরণ করা দরকার। প্রথম, গুনাহের জন্য অনুতাপ হওয়া। দ্বিতীয়, আবার তাকে না করার সংকল্প গ্রহণ। তৃতীয়, নষ্ট হওয়া হক ফিরিয়ে দেওয়া বা ক্ষতিপূরণ করা।
মুত্তাকি ব্যক্তির চরিত্র
মুত্তাকি হলো গুনাহকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তিনি নিজের গুনাহ না করার চেষ্টা করেন এবং ভুলের কারণে তাকে হালকা মনে করেন না। একটি ব্যক্তি নিষ্পাপ হতে পারে না, কিন্তু তিনি তাকওয়ার মাধ্যমে আল্লাহর ভয় ও রহমত মেলে দেন।
(সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭৪৭)
আল্লাহ রহমত বিস্তার করেন রাতে ও দিনে, যাতে গুনাহগার বান্দারা তওবা করতে পারে। নিরানব্বই জন মানুষকে হত্যা ক
