Uncategorized

চার মাসের সন্তানকে নিয়ে নদে ঝাঁপ, মা উদ্ধার হলেও শিশু নিখোঁজ

চার মাসের সন্তানকে নিয়ে নদে ঝাঁপ, মা উদ্ধার হলেও শিশু নিখোঁজ অত্যাবশ্যক বিষয়ে ঘটনা সমূহ চ র ম স র সন ত - চার মাস বয়সী শিশু ছেলেটিকে নদীতে ফেলে দিয়ে মা

Desk Uncategorized
Published May 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চার মাসের সন্তানকে নিয়ে নদে ঝাঁপ, মা উদ্ধার হলেও শিশু নিখোঁজ

অত্যাবশ্যক বিষয়ে ঘটনা সমূহ

চ র ম স র সন ত – চার মাস বয়সী শিশু ছেলেটিকে নদীতে ফেলে দিয়ে মা ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে কুষ্টিয়া জেলার হরিপুর সংযোগ সেতু এলাকায়। এই ঘটনার সম্পর্কে তথ্য পেয়ে স্থানীয় স্থানীয় কর্মীদের একত্রিত হওয়া হয়েছে এবং মা নারীটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু ছেলেটি নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছে। ঘটনাটি শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে ঘটে।

বিশেষ উল্লেখযোগ্য হলো যে শিশুটি বর্তমানে স্বাস্থ্য অবস্থা ভালো নয়। এ নিয়ে সম্পর্কে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বর জানান যে শিশুটি বেশ কিছু দিন ধরে প্রতিকূল অবস্থায় ছিল। তার চিকিৎসার জন্য বাবা আবদুল আলিম এবং তার স্ত্রী যমুনা পরিবারের সাথে কুষ্টিয়ার বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শুক্রবার বিকেলে যমুনা হঠাৎ নির্দেশ দেন ছেলেটিকে নদীতে ফেলে দিয়ে নিজে ঝাঁপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

এই ঘটনার পর হাটশ হরিপুর এলাকার আবদুল আলিম নামের ব্যক্তি এবং যমুনা পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে অসুবিধা দেখা দিয়েছিল। তাদের মাতৃ ও পিতৃ বিভাজনের কারণে পরিবারের সম্পর্ক আলোড়িত হয়েছিল। কিন্তু যমুনা তার বাবা আবদুল আলিমের সাথে ছেলেটি নিয়ে সুলতানপুর বেলতলা গ্রামে তার বাবার বাড়িতে যান।

প্রতিক্রিয়া ও অভিযান বিস্তার

তদপর কুমারখালী উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে ঝাঁপ দেওয়ার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরদেশ আলী নিয়ে সম্প্রতি সার্ভিস গৃহিত কর্মীদের দ্বারা উদ্ধার করা হয়েছে যমুনা কে। ছেলেটির খোঁজে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধানের জন্য অভিযান সম্প্রতি খুলনা থেকে রওনা দেওয়া হয়েছে।

“ছেলেটি অসুস্থ ছিল। চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ার বাইরে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু যমুনা আসেননি। বিকেলে হঠাৎ জানতে পারেন ছেলেটিকে নদীতে ফেলে দিয়ে স্ত্রী নিজেও ঝাঁপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন,” বলেন আবদুল আলিম।

যমুনা বাবা আবদুল আলিম নামের এই পরিবারে তিনি বিয়ের পর থেকে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন। তার বাবা আবদুল আলিম জানান যে তাদের সম্পর্কে কিছু বিষয় ঘটেছিল যা তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি করেছিল। এই ঘটনার পর থেকে পরিবারের সাথে সম্পর্ক আরও খুঁটিনাটি হয়েছিল। কিন্তু বাবা আবদুল আলিম নারীটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বর জানান যে নারীটি উদ্ধার করা হয়েছে কিন্তু চার মাসের সন্তানটি নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছে। তিনি যোগ দেন যে এ সম্পর্কে অভিযান চলছে এবং নারীটিকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আরও সংখ্যাগরিষ্ঠ শিশু খুঁজতে পারিবারিক বিষয় চালিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতি প্রাথমিক আশ্চর্য হলো যে চার মাসের সন্তান কুষ্টিয়া জেলার বেলতলা এলাকায় স্থানীয় মানুষদের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি করেছিল। �

Leave a Comment