ঈদ সময়ে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা যায় এবং উৎসবে সময় কাটানো সাধারণত হয়
পর ব র র আগ দ য় – ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা যায় এবং উৎসবে সময় কাটানো সাধারণত হয়। কিন্তু এই উৎসবের সময়েও কিছু মানুষ দায়িত্বের জায়গা থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন না। পরিবার থেকে দূরে থেকেও তাঁরা মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে কাজ করে যান। কিছু দায়িত্ব সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কিছু দায়িত্ব হাসপাতালে জরুরি সেবা দেওয়া। ঈদের আনন্দ তাঁদের কাছে অন্য রকম—মানুষের মুখে স্বস্তি দেখার মধ্যেই তাঁরা খুঁজে পান তৃপ্তি।
দায়িত্ব পালনের দৃষ্টান্ত
ঈদুল আজহার দিন গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলামোটর মোড়ে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছিলেন মাহবুবুর রহমান। চারপাশের কোলাহল আর যানবাহনের চাপের মধ্যেও তিনি ছিলেন পুরোপুরি কাজে মনোযোগী। তাঁর ভাষায়, “ছুটি ছাড়া ঈদ যেমন কাটে আরকি। বেলা দুইটা থেকে ডিউটি শুরু হয়েছে। তার পর থেকেই এখানে দায়িত্ব পালন করছি।”
“ছুটি ছাড়া ঈদ যেমন কাটে আরকি। বেলা দুইটা থেকে ডিউটি শুরু হয়েছে। তার পর থেকেই এখানে দায়িত্ব পালন করছি।”
মাহবুবুর রহমান জানান, স্ত্রী ও চার মেয়ে নিয়ে রাজধানীর হাজারীবাগে থাকেন। গ্রামের বাড়ি নড়াইলে। ছুটি পেলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যান। সেখানে বাবা–মা ও দুই ভাই থাকেন। তিনি আরও বলেন, “গ্রামের বাড়িতে বাবা–মা, দুই ভাইসহ সবাই একসঙ্গে আনন্দ করছে। উৎসবমুখর পরিবেশ। কিন্তু আমি যেতে পারলাম না—এটা ভেবে খারাপ লাগে। তবুও কিছু করার নেই। এই দায়িত্ব তো আর ফেলে রাখা যাবে না।”
“গ্রামের বাড়িতে বাবা–মা, দুই ভাইসহ সবাই একসঙ্গে আনন্দ করছে। উৎসবমুখর পরিবেশ। কিন্তু আমি যেতে পারলাম না—এটা ভেবে খারাপ লাগে। তবুও কিছু করার নেই। এই দায়িত্ব তো আর ফেলে রাখা যাবে না।”
ঈদের ছুটিতে মেয়েদের ঘুরতে যেতে চাইলেও ডিউটির কারণে তাঁদের সময় দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, “মেয়েরা আমি ছুটি পাইনি বলে গ্রামেও যায়নি। একটু ঘুরতে বের হতে চেয়েছিল, কিন্তু ডিউটির কারণে নিয়ে যেতে পারিনি। চাইলে তো যখন–তখন বের হওয়া যায় না। সবার ছুটি সম্ভবও নয়। কাউকে না কাউকে ত্যাগ স্বীকার করতেই হয়।”
