সিডনি থেকে ফেরত আসা পর্যন্ত দুই কণ্ঠশিল্পীর মনে ছিল স্মৃতিমাখা আবেগ
অপ র হ উস থ ক ব – লুইপা এবং মেজবা বাপ্পী বাংলাদেশে ফিরার প্রতিদিনে সিডনির স্মৃতি ছুঁয়ে ছিল তাঁদের চোখে মুখে। বিমানবন্দরে বিদায়ের মুহূর্তে প্রবাসীদের ভালোবাসার উচ্ছ্বাস সহ বিচ্ছেদের বিষণ্নতাও তাঁদের কণ্ঠে বিস্তার পেয়েছিল। তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদায় জানাতে গিয়ে লিখেছিলেন, “বিদায় সিডনি, তোমাদের ভালোবাসা অনেক মিস করব।”
প্রবাসীদের সঙ্গে কয়েক দিনের স্মৃতি গঠন
অল্প কয়েক দিনের সফরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে গান, আড্ডা আর স্মৃতিমাখা মুহূর্তে জড়িয়ে গেছে দুই শিল্পী। বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি নিউ সাউথ ওয়েলসের আমন্ত্রণে কয়েক দিন আগে সিডনিতে আসেন তাঁরা। প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন লুইপা, যিনি বলেন, “সিডনিতে এসে আমরা যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা সত্যিই অভাবনীয়। চিকিৎসকদের মতো মহৎ পেশার মানুষদের সামনে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা আলাদা। বড় মঞ্চে আলো-ঝলকের মধ্যে নয়, একেবারে কাছাকাছি বসে গান গাইলে মানুষের চোখের ভাষা বোঝা যায়। তখন বুঝতে পারি, গানটা তাঁদের ভেতরে পৌঁছেছে কি না। সেটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।”
“প্রবাসে থাকা মানুষ দেশ থেকে দূরে থাকলেও তাঁদের হৃদয়ে বাংলাদেশ সব সময় বেঁচে থাকে। আমরা যখন গান গাই, তখন সেই দেশটা যেন আরও একটু কাছে চলে আসে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।”
২০১০ সালে ‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া লুইপা আরও বলেন, “প্রবাসের মাটিতে দর্শকদের এই প্রাণবন্ত উপস্থিতি আর গানের প্রতি গভীর ভালোবাসা আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। সিডনির মানুষ খুবই আন্তরিক ও শিল্পমনা। অপেরা হাউস, হারবার ব্রিজ—সবকিছুই অসাধারণ। তবে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে এখানকার বাংলাদেশিদের ভেতরে দেশের প্রতি টানটা এখনো এত গভীরভাবে বেঁচে আছে দেখে।”
২০১২ সালে ‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ট ও পরে ভারতের ‘সা রে গা মা পা’য় অংশ নিয়ে পরিচিতি পাওয়া মেজবা বাপ্পী শহরের অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ। তিনি আরও বলেন, “এই সফরের স্মৃতি আমরা অনেক দিন মনে রাখব। বারবার এই শহরে ফিরে আসতে ইচ্ছে করবে।”
গানে প্রতিশ্রুতি পূরণের মুহূর্ত
অনুষ্ঠানে উপস্থিত চিকিৎসক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, “এভাবে কাছাকাছি বসে গান শোনার আনন্দই আলাদা। ম
