শিক্ষা খাতে জিডিপির ৬ শতাংশ আর স্বাস্থ্য খাতে ৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি ছাত্র ফ্রন্টের
শ ক ষ খ ত জ ড – শিশুদের সময়বিশেষ চিকিৎসার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি ছাত্র ফ্রন্টের কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উঠে আসে। গত বুধবার অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বিক্ষোভ সমাবেশ, যেখানে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দুপুরে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে স্মারকলিপি প্রদান করে। এর আগে সমাবেশের পর অনেক দাবি বহনকারী প্ল্যাকার্ডের সাথে একটি মিছিল ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে শেষ হয়।
দাবি সমাবেশে প্রকাশিত হয়
সমাবেশে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রগতি বর্মণ। তিনি সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী। ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ বলেন, বিএনপি সরকার সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগান দিয়েছে। স্লোগানকে বাস্তব অর্থে প্রয়োগ করতে হলে শিশুদের হামে আক্রান্ত করা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
“প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে ‘হাম কর্নার’ চালু করতে হতো এবং আইসিইউ ব্যবস্থা করতে হতো। কিন্তু সরকারের সেই ত্বরিত পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।”
ছাত্র ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শিশুদের হাম রোগ বৃদ্ধি পেলেও প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে টিকা কেনায় অবহেলা ও অব্যবস্থাপনা সবার আগে দেশের হাম প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যু ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপের ঘাটতিও লক্ষণীয়।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দের দাবি
ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী বলেন, “বাংলাদেশে শিক্ষা খাত বরাবরই অবহেলিত ও উপেক্ষিত থেকেছে। গবেষণার সম্মুখে নগণ্য বরাদ্দের কারণে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং আজ তলানিতে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৬ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।”
স্বাস্থ্য খাতে সমালোচনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে জনগণকে মোট চিকিৎসা ব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি নিজেদের পকেট থেকে বহন করতে হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে ঋণ ও দারিদ্র্যের চক্রে ঠেলে দিচ
