পশুর হাটে শেষ মুহূর্তের কেনাবেচায় বৃষ্টির বাগড়া, ক্রেতা-বিক্রেতার দুর্ভোগ
পশ র হ ট শ ষ ম – ঈদের আগে শেষ মুহূর্তে কেনাবেচার কারণে বৃষ্টি ও কাদাপানির আঘাতে পশু হাট ভারী আঘাত পেয়েছে। মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার নড়িয়া থেকে গতকাল আসা চারটি গরু এখন ক্রেতার হাতে পৌঁছাতে পারেনি। সকাল থেকে সামান্য বৃষ্টি ঝরছে এবং কখনো কখনো বাতাস ঝাপসা হচ্ছে। বৃষ্টির মধ্যে হাট চলছে বলে মনে হয়, কিন্তু বাজারে ক্রেতার আসার পরিমাণ কমে গেছে। অবিক্রীত পশুগুলো শামিয়ানার নীচে রাখা হয়েছে পানি থেকে রক্ষা করতে।
পশ র হ ট শ ষ ম আগে গ্রাহকদের মানসিক ভাবে প্রভাবিত করেছে। বৃষ্টির আঘাতে বাজার ধ্বংস হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। পশু হাট নিয়ে এক বিক্রেতা মো. ইয়ারূপ বলেন, “বৃষ্টি থামার আগে আমাদের পশুগুলো ক্রেতাদের হাত থেকে সরে গেছে। কাদাপানির মধ্যে হাট চলছে, কিন্তু আগের চেয়ে ক্রেতা কম।” তিনি গতকাল চারটি গরু নিয়ে হাটে আসেন যারা বৃষ্টির মাঝে বিক্রি করতে পারেনি। একটি গরু স্থানীয় বাজারে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। অবশিষ্ট পশুগুলো নিয়ে আরও সময় অপেক্ষা করতে হবে।
বাজারে সামান্য গরু বিক্রি হচ্ছে বলে মনে হয়
পশ র হ ট শ ষ ম আগে বৃষ্টির কারণে বাজারে পশু বিক্রির পরিমাণ কমে গেছে। মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার এক বিক্রেতা বলেন, “বড় গরু এখনো বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে না। কাস্টমার সংখ্যা স্থানীয় মানুষের চেয়ে কম। কিন্তু ছোট গরুগুলো এক লাখের নিচে দামে বিক্রি হচ্ছে।” তিনি বলেন যে পশু হাটে প্রায় ছয় মাস আগে কিনেছিলেন তাঁর পশুগুলো এবং লালন-পালনে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ঘাস ও ধানের খড় চিটা খাইয়েছেন।
ফসল ডুবে বৃষ্টির আঘাত প্রায় সম্পূর্ণ হাট নষ্ট করেছে
রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও থেকে আসা ছয়টি গরু ক্রেতার হাতে পৌঁছাতে পারেনি। বৃষ্টি ও কাদাপানির মধ্যে গ্রাহক আসছে না বলে মনে হচ্ছে। এক বিক্রেতা রাসেল মিয়া বলেন, “অনেক কম মানুষ কোরবানি করছেন। মিডলইস্টে অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। ধান কাদার মধ্যে ডুবে গেছে। রাজনগরে �
