যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের হুমকি, তবু ভিয়েতনামে রমরমা নকল পণ্যের ব্যবসা
য ক তর ষ ট র র – ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ের পাশে অবস্থিত একটি বড় বাজারে নকল পণ্যের মার্কেট অবিচ্ছেদ্য। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের হুমকি এবং ভিয়েতনাম সরকারের অভিযান পরিমাণে কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। রয়টার্সের সাংবাদিকদের সরেজমিন যাওয়ার পর প্রকাশিত সূত্র অনুযায়ী এ অবস্থা অবিকল অপরিবর্তিত থাকে।
অভিযানের আগে ও পরে
নিন হিয়েপ বাজারে এক বিক্রেতা জানান, “পুলিশ বছরে একবার টিভি ক্যামেরা নিয়ে আসে। তারা কোনো একটি দোকানে অভিযান চালায়, কিন্তু পরে সব আগের মতো চলতে থাকে।” নিন হিয়েপ বিশ্বের প্রায় ৩০টি পরিচিত নকল পণ্য কেন্দ্রের একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) তরফে। ইউএসটিআর বাজারটিকে মাই-ফ্লিক্সার্জের মতো স্ট্রিমিং ওয়েবসাইটের প্রতিনিধিও করেছে। সংস্থাটি এসব সাইটের ভিয়েতনাম থেকে পরিচালিত হওয়া ধরে নিয়েছে।
সাইটগুলোতে প্রবেশ করা যাচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অভিযান ঘোষণার পর। এ বিষয়ে ইউএসটিআর এবং ভিয়েতনামের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। ওয়াশিংটনের দৃষ্টিতে ভিয়েতনামে মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য গুরুতর ক্ষতিকর। গত ৩০ এপ্রিল দেশটিকে মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে গুরুতর অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ভিয়েতনামের বাণিজ্য ঘাটতি
মার্কিন তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ভিয়েতনামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ৫৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। এটি চীন ও মেক্সিকোর চেয়ে বেশি। ট্রাম্প প্রশাসন বারবার এই ঘাটতি কমানোর কথা বলেছে। এক বছর ধরে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে ভিয়েতনাম। যুক্তরাষ্ট্র দেশটির সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার।
রয়টার্সের সাংবাদিকেরা এ মাসে দুইবার নিন হিয়েপ বাজারে গেছেন—একবার অভিযানের আগে এবং আরেকবার ২৫ মে। সেখানে প্রায় ১০ জন দোকানির সঙ্গে কথা হয়। সবাই জানান কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিযান চালায়, কিন্তু তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব খুব কম। ব্যবসায়ীরা স্পর্শকাতরতার কারণে পরিচয় প্রকাশ করেনি। এক বিক্রেতা জানান, সম্প্রতি পুলিশ বাজারে এসেছিল। এতে কিছু দোকান ব্র্যান্ডের নকল পণ্য বিক্রি করেছে কম। তিনি বলেন, “ক্রয়াদেশ দিলে গুদাম থেকে এখনো নকল প
