মন্ত্রিত্ব কষ্টকর অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবরণ দিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী
মন ত র হওয র পর অর – বুধবার দুপুর ১২টায় দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন তাদের জন্য সারাদিন কাজে মুখোমুখি হয়েছেন। মন্ত্রী হওয়ার পর অর্থনৈতিকভাবে কষ্টকর অবস্থার কথা তিনি জানান।
মন্ত্রিত্ব একটি কঠিন দায়িত্ব বলে দাবি করেছেন
‘মন্ত্রিত্ব সোনার হরিণ নয়, সোনার বাটি বিষয়টিও নয়। সংসার চলার জন্য যে কয় টাকা বেতন দেয়, সেই কয় টাকা দিয়ে কী করা যায় তা বুঝতে হয়। আমি আগে স্বাবলম্বী ছিলাম, তবে মন্ত্রী হওয়ার পর অর্থনৈতিক ভারে আমি অনেক কষ্টে আছি। সপ্তাহে তিন দিন দুই ঘণ্টা করে রোগী দেখার কাজ করছি, যাতে সংসারের বাহিরে থাকা কষ্ট কমে আসে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা খাতুন। সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগের দিনগুলোতে মন্ত্রিত্ব খুবই লোভনীয় বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হত। কিন্তু এখন মন্ত্রিত্ব কঠিন দায়িত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যেমন, সকালবেলা ফজরের নামাজের পর ছয়টা থেকে কাজ শুরু করতে হয়। রাত দুইটা পর্যন্ত দৌড়ের সময় থাকতে হয়। কারণ, মন্ত্রিত্ব একটি কঠিন দায়িত্ব।’
স্বৈরাচার আর গণতন্ত্র এক নয় বলে তীব্র সংকেত দিয়েছেন মন্ত্রী
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির হাকিমপুর উপজেলা শাখার নেতাদের প্রতি মন্ত্রী জানান, ‘এই মন্ত্রিত্বের কাজ নিয়ে কটাক্ষ করার চেষ্টা করেন কেউ কেউ। কিন্তু স্বৈরাচার ও গণতন্ত্র এক নয়। আগের সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিশেষ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ বর্তমান প্রশাসন।
অতীত ভুল পুনরাবৃত্তি রোধে মিডিয়া সহযোগিতা চাইছেন
‘আমরা ভুল করেছি, কিন্তু অতীতের ভুলগুলো আবার করতে উৎসাহিত না হয় তার জন্য আমরা মিডিয়ার সহযোগিতা চাই। জনমত তৈরির জন্য আপনাদের সাথে সহযোগিতা করবেন বলে আমরা আশা করছি।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাকিমপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারেজ উদ্দিন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা এবং বিএনপির হাকিমপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ফেরদৌস রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন।
