মেঘনার বুকে ঝড়ের কবলে সি-ট্রাক, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন পাঁচ শতাধিক যাত্রী
ম ঘন র ব ক ঝড় র – ঈদের এক দিন আগে ভোলা সদর উপজেলার কাছাকাছি ঝড়ে আবদ্ধ হয়েছিল বিআইডব্লিউটিসির সি-ট্রাক ‘সাঙ্গু’। এ বৃত্তান্তা দিয়ে অনেক যাত্রী আতঙ্কিত হয়েছিলেন এবং কেউ কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। কিন্তু দমকা হাওয়া ও ঝোড়োবৃষ্টির জেরে নৌযানটি তীরে ফিরে আসে এবং বিপদ থেকে মুক্তি পায়।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয়। এতে মেঘনা নদী উত্তাল হয়ে ওঠে। লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী ঘাট থেকে পাঁচ শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌযানটি ভোলার ইলিশা ঘাটের দিকে রওনা হয়। কিন্তু এ সময় ইলিশা ঘাটের কাছাকাছি পৌঁছালে ঝড় ও বড় ঢেউ কারণে নৌযানটি আটকা পড়ে।
পরিস্থিতি অত্যন্ত বেগতিক হওয়ায় মাঝনদীতে একটি ভার্জিং বয়ার সঙ্গে নোঙর করা হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে নৌযানটি ঝড় ও ঢেউ থেকে লড়াই চালিয়ে যায়। অনেক যাত্রী ঢেউয়ের পানিতে ভিজে যান। শিশু ও নারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক যাত্রী কান্নাকাটি করতে দেখা যায়। তাঁদের ঝড় কিছুটা কমে আসার পর নৌযানটি ইলিশা ঘাটে ভেড়ে। তীরে নেমেই অনেকে শুকরিয়া আদায় করেন।
নৌযানটি ইলিশা লঞ্চঘাটের কাছাকাছি এসে ঝড়ের কবলে পড়ে। যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়েছিলেন। আমরা ঘাট থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছিলাম। সি-ট্রাকের মাস্টার ঘাটের সামনে ভার্জিং বয়ার সঙ্গে নোঙর করে নিরাপদ অবস্থানে ছিলেন।
বয়ার সঙ্গে নোঙর করায় এবং ঝড়ের পরিস্থিতি দেখে যাত্রীরা আরও আতঙ্কিত হয়েছিলেন। তবে ভার্জিং বয়াটি নিরাপদ ছিল। সব যাত্রী নিরাপদে তীরে ফিরেছেন।
এদিকে ঝড়ের তাণ্ডবে ভোলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝের চরে অন্তত ১২টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। গাছপালা উপড়ে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে জেলার অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয় কৃষক মাইনুদ্দিন বলেন, ঝড়ে ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। চাল-ডাল, বীজ ও সৌরবিদ্যুতের প্যানেল নষ্ট হয়েছে। ঘরের আসবাবও ভিজে গেছে। সামনে কোরবানির ঈদ আসতে পরিবারগুলো এখন অসহায় অবস্থায় আছে।
ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, সব ইউনিয়ন থেকে খবর আসছে। কোথাও ২০টি, কোথাও ৩০-৩৫ট
