Uncategorized

লালমনিরহাটের প্রায় হাজার কেজির ষাঁড়টি এবারও বিক্রি হয়নি

লালমনিরহাটে ষাঁড়টি বিক্রি হয়নি ল লমন রহ ট র প র - লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব দৈলজোর এলাকায় অবস্থিত মৌরি অ্যাগ্রো ট্রেডার্স

Desk Uncategorized
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

লালমনিরহাটে ষাঁড়টি বিক্রি হয়নি

ল লমন রহ ট র প র – লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব দৈলজোর এলাকায় অবস্থিত মৌরি অ্যাগ্রো ট্রেডার্স খামারে প্রায় এক হাজার কেজি ওজনের একটি ষাঁড় পালন করা হচ্ছে। এই খামারের মালিক মজমুল হোসেন প্রামাণিক জানান, এই ষাঁড়টি এখনও বিক্রি হয়নি।

বিশাল ষাঁড়ের দাম প্রস্তাব হয়েছিল পরিবর্তে

গত সোমবার দুপুরে খামারে গিয়ে দেখা যায়, ধূসর-ছাই রঙের ষাঁড়টি পাকা মেঝেতে বসে আছে। খামারের কর্মীদের মতে এটি চঞ্চল স্বভাবের এবং কখনও কখনও লাফঝাঁপ করে। তাঁরা ষাঁড়টির নাম জায়েদ খান রেখেছেন।

গত বছর ঈদের আগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরের পাইকারেরা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাত থেকে আট লাখ টাকা পর্যন্ত দাম প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু খামারমালিক মজমুল হোসেন প্রামাণিক বলেন, তিনি ষাঁড়টির বয়স সাড়ে পাঁচ বছর। দৈর্ঘ্য-প্রস্থের হিসাবে এর ওজন এক হাজার কেজির কম নয়। তবে দাম চেয়েছিলেন দশ লাখ টাকা।

খামারের তত্ত্বাবধায়ক নবুর হোসেন উল্লেখ করেন, তিনি দুই যুগ ধরে খামারে কাজ করছেন। এই ষাঁড়টি কোরবানির সময়ও বিক্রি হয়নি। এত বড় ষাঁড় আর কবে বিক্রি হবে তা নিয়ে তিনি চিন্তিত।

খামারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, ষাঁড়টির খাবার খরচ প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ শত টাকা। স্থানীয় গরুর পাইকার সলু মিয়া দাবি করেন, এত বড় গরুর ক্রেতা এই এলাকায় খুব কম। তাই ষাঁড়টি বিক্রি করতে সমস্যা হচ্ছে।

এই মৌসুমে খামারে আরও ছয়টি গরু সাত লাখ সাত শ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু ষাঁড়টি প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় বিক্রি করছেন না। মজমুল হোসেন বলেন, কম দামে বিক্রি করলে লোকসান হবে। এখনো কেউ উপযুক্ত দাম দিলে আমরা উপকৃত হতাম। এত বড় গরু নিয়ে এখন বিপদেই আছি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জায়েদ খান নামে ষাঁড়টির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিদিন অনেকে খামারে আসে এবং সেটির সঙ্গে ছবি ও ভিডিও তোলে।

Leave a Comment