Uncategorized

কোরবানির আনন্দ যেন শুধুই স্মৃতি, কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরে যেভাবে কাটছে রোহিঙ্গাদের ঈদ

কোরবানির আনন্দ যেন শুধুই স্মৃতি, কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরে যেভাবে কাটছে রোহিঙ্গাদের ঈদ ক রব ন র আনন দ য - লেদা আশ্রয়শিবিরে (ক্যাম্প-২৪) খুপরিতে গড়ে তোলা ছোট

Desk Uncategorized
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কোরবানির আনন্দ যেন শুধুই স্মৃতি, কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরে যেভাবে কাটছে রোহিঙ্গাদের ঈদ

ক রব ন র আনন দ য – লেদা আশ্রয়শিবিরে (ক্যাম্প-২৪) খুপরিতে গড়ে তোলা ছোট ঘরগুলো দুই পাশে বাঁশ আর ত্রিপল দিয়ে গঠিত। সরু গলি মাঝখানে বয়ে গেছে ক্যাম্পের গুঁড়ি। সেখানে রয়েছেন পাঁচ রোহিঙ্গা মহিলা আলাপে যারা বর্তমান দুর্দশার কথা মনোযোগে শুনছেন। এই বিষয়ে আলাপে ব্যস্ত হয়েছেন রহিমা খাতুন (৫৫)। তিনি বলেন, ঈদুল ফিতরে ঘরে আয়োজন নেই বলে চোখ ছলছল হয়েছে।

পরিবারের কোরবানি করতে পারবেন না সে কথায় তাঁদের আলাপ ঘুরেফিরে অবিরত হয়ে আসছে। তাঁদের কথার মধ্যে অতীতের দিনগুলো স্মরণ করছেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা হয়ে প্রথম আলোকে বলেন মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, আশ্রয়শিবিরে বিভিন্ন সংস্থার সহযোগে ঈদে মাংস বণ্টন করা হবে। পশু জবাই শেষে সব বর্জ্য দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হবে।

পশুর চামড়া বিভিন্ন এতিমখানায় বিনা মূল্যে বিতরণ করা হবে।

লেদা আশ্রয়শিবির অবস্থান কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে। সেখানে বসতি আছে ২৭ হাজার রোহিঙ্গা। তাঁদের মধ্যে ১৯ হাজার নারী-শিশু। সবাই ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।

ঈদের আনন্দ কেমন হয়েছে

ঈদের দিন শুধু আনন্দের বার্তা আসছে না তাঁদের কাছে। সচ্ছল জীবনের দুঃখের কথা উল্লেখ করছেন রোহিঙ্গা নারীরা। ক্যাম্প ইনচার্জদের তত্ত্বাবধানে ঈদে মাংস খাওয়ার ব্যবস্থা হবে। সকালে মাঝিদের মাধ্যমে বণ্টন করা হবে আশ্রয়শিবিরের রোহিঙ্গাদের ঘরে ঘরে।

বাসিন্দা আবদুর শরিফ (৪৫) বলেন, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে লেদা ক্যাম্পে গিয়ে দেখা গেছে সোয়া তিন মণ ওজনের একটি গরু। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গরুটি উপহার হিসেবে আটটি রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য কিনে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রোহিঙ্গা। টাকার পাঠানোয় গতকাল সকালে টেকনাফের বাজার থেকে গরুটি কেনা হয়েছে।

মোহাম্মদ নুর (৫০) বলেন, কয়েকটি পরিবার মিলে গরুটি কিনেছেন। ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেওয়া হবে তাঁদের। তিনি আরও বলেন, আট বছরে পশু কোরবানি করতে পারেননি। গত বছর সাতজন মিলে গরু কোরবানি করেছেন। এবার অর্থসংকটে সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

ঈদুল আজহার আয়োজনের পরিস্থিতি

প্রথম আলোকে বলেন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এবারের ঈদুল আজহার দিন প্রায় ২ লাখ পরিবারকে এক কেজি করে মাংস দেওয়া হবে। গত বছর দেওয়া হয়েছিল দেড় কেজি। ইতিমধ্যে ক্যাম্প ইনচার্জরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

খাদ্যসহায়তা কমে যাওয়ায় অনেক রোহিঙ্গা দিশা হ

Leave a Comment