শহুরে চাকরিতে ক্লান্ত তরুণেরা, চীনে ভাইরাল মেষপালকের চাকরি
শহ র চ কর ত ক ল – চীনে একটি খামার মালিক জুও শিয়াওইয়ং গত এপ্রিল শেষে মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণাংশের অপরিচিত তৃণভূমিতে মেষপালকের চাকরির বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেন। তিনি আশা করতেন কয়েকজন আবেদনকারী হবে, কিন্তু তা কখনও কল্পনা করেননি যে বিজ্ঞাপনটি সামাজিক মাধ্যমে শীঘ্রই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইরাল হয়ে উঠবে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিজ্ঞাপনটি ছয় কোটি বার দেখা হয়, এবং তার মাধ্যমে এক হাজার দ্বিতীয় শতাংশ ডিসকাশন থ্রেড তৈরি হয়।
বিশ্লেষকদের মতে এ ঘটনা চীনের কর্মসংস্থানের সংকট ও তরুণদের অভিযোগের প্রতিফলন। এই চাকরিতে আবেদন করেন ছয় হাজার বেশি মানুষ, যাদের মধ্যে ছিল সাংহাই ও চংকিংয়ের করপোরেট কর্মীরা, বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক, আর কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ করা তরুণ। পরিশেষে চার জন মেষপালক নিয়োগ দেন, অর্থাৎ দুটি দম্পতি। তাঁদের সবার জন্ম আশির দশকে হয়।
জুও শিয়াওইয়ং বলেন, ‘আমি ভাবতে পারিনি যে এটি ভাইরাল হবে। আবেদনকারীদের প্রায় দশটা শতাংশ নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেছেন। অনেকে ঋণ চাপে আছেন, কেউ ক্লান্তিকর কারখানার কর্মসংস্থানে অতিষ্ঠ, আবার কেউ কর্মক্ষেত্রের রাজনৈতিক আতঙ্কে ভুগছেন।’
চীনের সার্বিক বেকারত্ব হার ৫ শতাংশের কিছু বেশি হলেও অপূর্ণ কর্মসংস্থান বাড়ছে। এক দশকের বেশি সময় ধরে বেসরকারি খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে মেলাতে পারেনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ইরান যুদ্ধের কারণে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা শ্রমিকদের উপর চাপ বৃদ্ধির পথ খুলেছে। এই বিজ্ঞাপনে চাকরিজীবীদের প্রতি মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখা হয়, চীনের শ্রমবাজার এখন কতটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও কম প্রতিদানের হাল হয়ে উঠেছে।
শহুরে কর্মীদের গড় মাসিক আয় তুলনায় ওই খামারে কাজে আসল মাসিক প্রতিদান অনেক বেশি। তবে তার চাপ ক্ষীণ হয়ে যাওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। স্নাতকোত্তরদের মূল্য ছোট ভাড়া ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচে শেষ হয়ে যায়।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ক্রিস্টিয়ান ইয়াও বলেন, ‘একসময�
