Uncategorized

জুলাই শহীদ আলভীর বাবা বললেন, ‘ঈদের আনন্দের মাঝেও চোখ ভিজে যায় বারবার’

ঈদের আনন্দেও চোখ ভিজে যায় বারবার জ ল ই শহ দ আলভ র - জ ল ই শহ দ আলভী র জীবনের মাঝখানে আজ পরিবারে আনন্দ হয়ে উঠেছে না— স্মৃতিতে মুহূর্তে মুহূর্তে কাতর হয়ে

Desk Uncategorized
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ঈদের আনন্দেও চোখ ভিজে যায় বারবার

জ ল ই শহ দ আলভ র – জ ল ই শহ দ আলভী র জীবনের মাঝখানে আজ পরিবারে আনন্দ হয়ে উঠেছে না— স্মৃতিতে মুহূর্তে মুহূর্তে কাতর হয়ে উঠেছে। আবুল হাসান, শহীদ সন্তানের পিতা, জুলাইয়ে শহীদ শাহরিয়ার হাসান আলভী বলেন, ঈদের উপলক্ষে পরিবারে আনন্দ উপস্থিত হত বলে জানান তিনি। তবে দুঃখের প্রতিটি মুহূর্তেই তাঁর মনে স্মৃতি সবসময় জীবন্ত থাকে। সেই দুঃখ ঈদের আনন্দ থেকে অনেকটা অলপ দূরে থাকে।

শহীদ সন্তানের স্মৃতি জীবন্ত

ঈদের দিন পরিবারের জন্য সাধারণত নূতন বস্তু বা স্বাগতিমূলক মুখের কথা এলে তিনি বলেন, আলভী কেবল তাঁদের সন্তান ছিল না— সে ছিল স্বপ্ন, ভালোবাসা, ভবিষ্যৎ। তাঁদের পরিবারে প্রতিটি ঈদ গভীর বেদনার নাম। তাঁর পিতা বলেন, ঈদ এলেই হৃদয়ে বেদনা আবার উঠে আসে যেন সে বারবার হাজির হয়।

‘আলভী বেঁচে থাকলে হয়তো আজ বাড়িতে ফিরত। দাদা-দাদির পাশে বসে হাসিমুখে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিত। ঘর ভরে উঠত ওর প্রাণখোলা হাসিতে। আজ সেই স্থানে শুধু নীরবতা আর অসীম শূন্যতা বিরাজ করছে।’

গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ছাত্রের জীবন বিস্তার হয়েছিল

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন জুলাইয়ে বয়স্ক শাহরিয়ার হাসান আলভী। রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে সে গুলিবিদ্ধ হন যখন অভ্যুত্থানের বাইরে বসে কথা বলছিল। পুলিশের গুলি আত্মঘাতী হয়ে পড়ে সে সম্পূর্ণ ভাবে জীবন বিস্তার করে। বাবা আবুল হাসান বলেন, পরিবার কেবল শুধু তার ব্যক্তিগত দুঃখ ভোগ করছে না— তার স্মৃতি সমাজের সবার চোখে জীবন্ত থাকে।

তিনি আরও বলেন, সে এক ছাত্র ছিল যিনি আমাদের জুলাইয়ে মানুষের মনে আশার জ্বলন জাগিয়েছিলেন। পুলিশ পরিচালনার বাইরে হাজির হয়ে তাঁর সাথে কথা বলা ছিল স্বাভাবিক কাজ। সেই মুহূর্তে বাবা আবুল হাসান আর তাঁর বিশ্বাসী স্ত্রী সাথে ছিলেন। সেই গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর তাঁদের পরিবার কী করে এগিয়ে চলছে তা আর এক পর্বে প্রকাশ করা হবে।

ঈদ দিনে অসীম বেদনা আর স্মৃতি

ঈদ উপলক্ষে গৃহে আনন্দ বিস্তার করা হলেও বাবা আবুল হাসান বলেন, তাঁর মনে আলভী দিনে বেদনা আবার উঠে আসে। পরিবারে স্বাভাবিকতা সবসময় বারবার মাঝে মাঝে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জুলাইয়ে সন্তান যে দুঃখ তুলে দিয়েছিল সেই কারণে বাবা আবুল হাসান বলেন, ঈদ দিন সেই বেদনা আবার হাজির হয়।

‘আমাদের ঘর থেকে আলভী বেঁচে থাকলে পরিবার আজ ঈদের আনন্দে ভরে উঠত। সে আমাদের স্বপ্নের সুরে চোখ ভিজিয়ে দিত। আজ সেই স্থানে এলে মনে হয় সে আমাদের সাথে আর থাকছে না।’

জুলাইয়ে শহীদ আলভীর মৃত্যু হয়েছিল কী ঘটনায়?

জুলাইয়ে সন্তান বয়স্ক শাহরিয়ার হাসান আলভী র বাবা বলেন, �

Leave a Comment