কাতার নেবে নতুন বাংলাদেশি শ্রমিক, পুরোনোদের কান্না কে শুনবে
ক ত র ন ব নত ন – কাতার নেবে নতুন বাংলাদেশি শ্রমিক, ক ত র ন ব নত এর সাথে পুরোনো কর্মীদের কান্নার দাবি স্পষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশ এবং কাতারের শ্রমবাজার সম্পর্ক দীর্ঘ দুই দশকের মধ্যে প্রায় ত্রিশ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুই দশকে কাতার বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য একটি প্রধান গন্তব্য হিসেবে পরিচিত হয়েছে। নির্মাণশিল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেবা খাতে লক্ষাধিক বাংলাদেশি কর্মী কাজ করছেন। কাতারের প্রতি আগ্রহের প্রমাণ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার দ্বারা নতুন দক্ষ কর্মীদের নিয়োগের প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ও কাতারের শ্রম সম্পর্কের গুরুত্ব
১৭ মে শুরু হওয়া দুই দিনের সফরে কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি বাংলাদেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরের পর তিনি বাংলাদেশ-কাতার সপ্তম যৌথ কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হন, যেখানে নতুন দক্ষ শ্রমিকদের নিয়োগের প্রস্তাব প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, ওয়েল্ডার, এসি টেকনিশিয়ান সহ করিগরি খাতের শ্রমিকদের প্রতি কাতারের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ঘোষণা করেছে।
কাতারে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সংখ্যা ও কাজের অবস্থা
বর্তমানে কাতারে প্রায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছেন। তাঁদের প্রায় ৩০ শতাংশ উন্নয়ন প্রকল্পে সক্রিয় হয়েছে। শ্রমমন্ত্রী জানান, কাতার বাংলাদেশের পাঁচটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) থেকে সরাসরি দক্ষ কর্মী নিতে চায়। এ প্রকল্প দ্বারা নতুন শ্রমিকদের জন্য প্রস্তুতি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাতার সরকারের কাছে এটি একটি কীটমুখী সম্ভাবনা হিসেবে মন্ত্রণালয় তার স্বাক্ষর করেছে।
কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি বলেন, “বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য কাতার সারা দুনিয়াতে সাধারণ প্রকল্প থেকে প্রতিযোগিতার সুবিধা তৈরি করতে চাচ্ছে। নতুন দক্ষ কর্মীদের জন্য মানবিক উন্নয়ন ও তথ্য প্রদানের দিকে মনোনিবেশ করছি।” তিনি প্রস্তাব করেছেন যে নতুন শ্রমিকদের গুণগত সমান মূল্য দেওয়া হবে।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে কাতারে গেছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৯৮ জন কর্মী। চলতি বছরে এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর আশা উপস্থিত হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই মুহূর্তে নতুন শ্রমিক পাঠানোর উৎসাহ কতটা বাস্তবসম্মত এবং মানবিক? সত্যিই কি এখন শ্রমিক পাঠানোর সময় এসেছে? বাংলাদেশের কাছে কাতারে শ্রমিকদে
