পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো শিয়া মুসলিমরা তাদের লাগেজ ও সঞ্চিত অর্থ আনতে পারেনি
আম র ত ব ত ড়ন র – সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাস করা পাকিস্তানি শিয়া মুসলিমদের বিতাড়নের পরিণতি হিসেবে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে শতাধিক মানুষ। তাঁদের বিদেশে বহু বছর ধরে জমানো অর্থ এবং তাদের লাগেজ আনতে সুযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। আমিরাতে শুধু চাকরি হারিয়েছে তাঁরা নয়, তাঁদের বিতাড়িত করা হয়েছে বলে আরও অনেক কথা শোনা গেছে।
বিতাড়নের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হাজারো শিয়া মুসলিম সংখ্যার মধ্যে এ ঘটনার ফলে উদ্বেগ জাগিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ কার ভিত্তিতে শিয়া মুসলিমদের বিতাড়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা খুঁজে বার করতে পারেনি রয়টার্স।
“আমিরাতে বসবাসকারী পাকিস্তানি শিয়াদের বিতাড়িত করার খবরটি অত্যন্ত উদ্বেগের,” হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের উপপরিচালক মাইকেল পেজ বলেছেন।
রয়টার্স তদন্ত করেছে পাকিস্তানে বসবাসের দিক থেকে ইরানের পরই পাকিস্তানের অবস্থান। এ ঘটনার প্রতি সংস্থাটি গুরুতর অভিযোগ তদন্ত করছে। এতে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমিরাত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে সাড়ে ৭ হাজার পাকিস্তানি শিয়া। সংগঠনটির মুখপাত্র মহসিন আবিদি বলেন, সংখ্যা সম্ভবত এর চেয়ে বেশি।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে বিতাড়নের সংখ্যা স্বাভাবিক পর্যায়ে আছে। কিন্তু তারা তথ্য দেয়নি। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই শিয়া মুসলিম। তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক কারণে প্রকাশ্যে বিষয়টি তোলেনি পাকিস্তান সরকার।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স সাক্ষাৎকার করেছে শিয়াদের মধ্য থেকে ২৪ জনকে। তাঁরা সবাই নিজেদের শিয়া মুসলিম হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এবং বিতাড়নের ব্যাপারে দাবি করেছেন। প্রত্যেকেই বলেছেন, আমিরাত থেকে ফেরত পাঠানোর আগে তাঁরা নিজেদের বিতাড়নের সুযোগ পাননি।
পাকিস্তানে বহু বছর ধরে বিদেশে বসবাস করছেন প্রায় ১৮ লাখ পাকিস্তানি শিয়া। তাঁদের মাধ্যমে পাকিস্তানে বছরে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসছে। মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছে প
