মহাসড়কের এক অংশে সার্ভিস লেন অভাব, নিরাপত্তির সমস্যা দেখা দিয়েছে
মহ সড়ক র ৩০ ম ট র – বগুড়ার শেরপুর এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের মহিপুর অংশে কমপক্ষে ৩০ মিটার পরিমাণে সার্ভিস লেন নির্মাণ করা হয়নি। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা চলাচলে প্রাণ বাচার জন্য ঝুঁকি নিচ্ছেন। এই অংশে ছোটখাটো দুর্ঘটনা সাধারণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পরিদর্শক উদ্দিন জানান।
তিন বছরে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে
গত তিন বছরে মহিপুরে কমপক্ষে ১৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঈদের সময় গাড়ির চাপ বেশি হওয়ায় এই স্থানে আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে একটি দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আহসান হাবীব নিহত হয়েছিলেন।
ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ গমন করতে চাইলে মহাসড়কের পশ্চিম পাশে ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফটকের পর থেকে সার্ভিস লেন দিয়ে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। কিন্তু সেই অংশটুকু না দিয়ে সার্ভিস লেন তৈরি হয়নি। পথচারী রফিকুল ইসলাম ও আমজাদ হোসেন বলেন, ২০২০ সালে চার লেন উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। ২০২৫ সালের মধ্যে পূর্ব ও পশ্চিম পাশে সার্ভিস লেন তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফটকের স্থান অপসারণ না করায় ওই অংশে সার্ভিস লেন তৈরি হয়নি।
জমি হস্তান্তরের পর কাজ শেষ হবে বলে জানালেন প্রকৌশলী
সিপিসি প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা আল শহিদুল হক জানান, ওই স্থানে জমি অপসারণ করা হলেই সার্ভিস লেন তৈরি করা যাবে। কারণ ওখানে অংশটুকু জমি পরিচালনার কারণে কাজ বাড়িয়ে দেওয়া হয়নি।
মহাসড়কের পশ্চিম পাশে সার্ভিস লেন না থাকার কারণে গাড়ি চালকরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। অটোরিকশার চালক সাইফুল ইসলাম বলেন, শেরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ১০ মাইল বাজার পর্যন্ত সার্ভিস লেন দিয়ে যাত্রী আনা-নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ওই অংশে সার্ভিস লেন না থাকায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু জানান, ওই অংশটুকু ফায়ার সার্ভিসের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহার সময় মানুষের প্রাণ ঝুঁকি থেকে বাঁচানোর জন্য শেরপুর থানা এবং হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করা হবে।
