Uncategorized

‘অবৈধ’ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের রাখতে পশ্চিমবঙ্গে আটককেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে

পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের রাখতে আটককেন্দ্র গঠন প্রক্রিয়া শুরু অব ধ ব ল দ শ র - পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করে অবৈধভাবে ভারতে বসবাস

Desk Uncategorized
Published May 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের রাখতে আটককেন্দ্র গঠন প্রক্রিয়া শুরু

অব ধ ব ল দ শ র – পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি নির্দেশিকা জারি করে অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করা বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা বিদেশি নাগরিকদের জন্য হোল্ডিং সেন্টার গঠনের প্রক্রিয়া আরম্ভ করেছে। পূর্বে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মে মাসে প্রকাশিত নির্দেশিকার ভিত্তিতে রাজ্য সরকার আটককৃত বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের নির্বাসন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত নীতি ঘোষণা করেছে। বিদেশি চিহ্নিতকরণ শাখা অধীনস্থ স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে গত শনিবার প্রকাশিত সার্কুলারে এই নির্দেশিকা অনুসরণ করা হয়েছে।

এই নির্দেশিকার মূল লক্ষ্য ছিল অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিক এবং রোহিঙ্গা বিদেশি বন্দীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো। পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের সব জেলার পুলিশপ্রধানকে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে অনুরোধ করেছে। বিএসএফ বাহিনী ও পুলিশ কমিশনারেট কর্তৃক কীভাবে কাজ করা হবে তা নির্দেশিকায় বিস্তারিত দেখানো হয়েছে।

নির্দেশিকার সাথে সংযুক্ত চিঠি

এই সার্কুলারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকার অনুলিপি যুক্ত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সচিব এই নির্দেশিকাটি জারি করেছেন। চিঠিটি বলেছে অবৈধ ভারতে বসবাসের বিদেশি নাগরিকদের জন্য নির্বাসন প্রক্রিয়া চালু করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

“এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে বছর ভেটা করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইনজীবী একটি মন্তব্য করেন, পুরো বিষয়টি গোপনীয় ভাবে চালু করা হচ্ছে। কাদের ধরা হচ্ছে, কোথায় রাখা হচ্ছে এবং কীভাবে ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে সেগুলো এখনো জানা যায়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই নির্দেশিকার ভিত্তিতে আটককেন্দ্র গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

বর্তমানে আসামে একটি বড় আটককেন্দ্র চালু রয়েছে। সেখানে ছয়টি ডিটেনশন সেন্টার থেকে এখন একটি ট্রানজিট ক্যাম্পে পরিবর্তন করা হয়েছে। আসামে এই প্রক্রিয়া প্রস্তাবিত হলে পশ্চিমবঙ্গে একেবারে দরিদ্র মানুষেরা চরম বিপদে পড়বেন বলে মানবাধিকার আইনজীবীরা মনে করছেন।

Leave a Comment