ব্যাংক খাতে ‘অ্যান্টি–এস আলম ল’-এর সন্ধানে
বিশ্বের ব্যাংক মালিকানা পরিবর্তনের চিত্র
ব য ক খ ত অ য – শওকত হোসেন বাংলাদেশে ব্যাংক দখলের সাথে পৃথিবীর অন্য দেশের মালিকানা পরিবর্তনের তুলনা করেছেন। ইসলামী ব্যাংকের দখল সম্পর্কে সবার জানা ব্যাপার। ব্যাংক ডাকাতি বিশ্বব্যাপী ধীর গতিতে চলছে, যা পুরোনো পেশা হিসেবে পরিচিত। সারা পৃথিবীতে অসংখ্য ঘটনা ঘটে গেছে, কিন্তু ব্যাংকের মালিকানা দখলের কোনো বিশেষ ঘটনা বেশি চর্চিত হয়নি।
মলদোভার ব্যাংক দখল ঘটনা
২০১৪ সালের ২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর মধ্যে এক গোপন কাজের মাধ্যমে ইলান শোর মলদোভার তিনটি ব্যাংক থেকে প্রায় ১০০ কোটি ডলার তুলে নিয়েছিলেন। দেশটির মোট জিডিপির প্রায় ৮ শতাংশ অর্থ চলে গেল। এই ঘটনাকে ‘শতাব্দীর সেরা চুরি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
২০১৫ সালে মলদোভার রাজধানী কিশিনাউতে ব্যাংক গুলি মালিকানা দখলের প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নামে। তাদের অভিযোগ ছিল, সরকার ঘটনাটি জানাজানি হলে ব্যাংক তিনটিকে বাঁচাতে সময়মতো ব্যবস্থা নেয়নি।
বানকা দে একোনোমিই ছিল সরকারি মালিকানায়, যা ২০১২ সালে সরকারের হাতে ৫৬ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার ছিল। পরে সরকার অতিরিক্ত শেয়ার ছাড়া শুরু করে। বাজার থেকে শেয়ার কিনে মালিকানা দখল ঘটনাটি এখনও পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। সেই সময় ইলান শোর গোষ্ঠী ব্যাংক খাতে নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে হাতে নেয়।
আমেরিকার ব্যাংক রেজোল্যুশন নীতি
১৯৩৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাংক খাতে বিপর্যয়ের পর নতুন নীতি গৃহীত হয়। প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ক্ষমতায় আসার পর সাময়িকভাবে ব্যাংক বন্ধ ঘোষণা করেন। এটিকে বলা হয় ব্যাংক হলিডে। এরপর ইমার্জেন্সি ব্যাংকিং অ্যাক্ট পাস করা হয়, যার মাধ্যমে ব্যাংকগুলো ধাপে ধাপে খুলে দেওয়া হয়।
১৯২৯ সালে শেয়ারবাজারে ধস নামার ফলে মানুষ ব্যাংকে আস্থা হারিয়ে টাকা তুলতে চাইল। ব্যাংকের হাতে প্রায় নগদ অর্থ ছিল না, ফলে ব্যাংক বন্ধ হতে শুরু করে। মার্কিন প্রতিষ্ঠান ক্রলে তদন্তে দেখা গেছে গোষ্ঠী দ্বারা ব্যাংক মালিকানা ও পরিচালনা পর্ষদ বদলানো হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তিনটি
