২০০০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনের ব্যাংক নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না
নতুন নিয়মে পরিবর্তন ঘটছে
২০০০ ক ট ট ক র কম – ২০০০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনের ব্যাংকগুলোকে আর নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন আদেশ জারি করেছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন গতকাল শনিবার প্রকাশিত হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এমন ব্যাংকগুলো স্টক লভ্যাংশ হিসেবে কমবেশি ৫০ শতাংশ অংশ দিতে হবে। এ পরিবর্তনের প্রধান উদ্দেশ্য হল আর্থিক অস্থিতির উন্নয়ন এবং স্থায়ী কমপক্ষে দুই হাজার কোটি টাকার মূলধন বজায় রাখা।
আর্থিক চাপ ও লভ্যাংশ ঘোষণার নতুন কাঠামো
বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতির কারণে ব্যাংকগুলো নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে যে তাদের খেলাপি ঋণ দুই অঙ্কের ঘরে থাকছে। এ বিষয়টি বিশেষ করে ব্যাংকগুলো প্রতিযোগিতা এবং স্থায়িত্ব বজায় রাখার উদ্দেশ্যে জারি করা হয়েছে। এ আদেশ অনুযায়ী সাধারণ সঞ্চিতি বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি ঘাটতি থাকলেও ব্যাংক লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। এর ফলে ব্যাংকের মুনাফার পরিমাণ কমিয়ে আসা হবে এবং বিনিয়োগকারীদের মাঝে আর্থিক স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছর ও পরবর্তী বছরগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে। এ নতুন নিয়মের প্রয়োগ সব ব্যাংকের জন্য সমান নয়। অর্থবছর শেষে ব্যাংকগুলো তাদের মূলধনের অবস্থা আমন্ত্রণ করবে এবং সেই ভিত্তিতে নির্দেশনার প্রয়োগ নির্ধারণ করা হবে।
২০২৫ হিসাব বছরে অন্যান্য নিয়মগুলো আগের মতো বহাল থাকবে। এ বছর পরিশোধিত মূলধনের ব্যাংকগুলো স্বাধীন ভাবে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে এবং তাদের সাধারণ সঞ্চিতি সম্পর্কে কোনও ধরনের অস্থিরতা না থাকলে তারা লভ্যাংশ দিতে পারবে। কিন্তু ২০০০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনের ব্যাংকগুলো এমন কোনও পরিবর্তন ছাড়া নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। এটি একটি স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে যেন ব্যাংকের স্থায়িত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়।
এই নিয়মের ফলে ব্যাংকগুলো মুনাফার পরিমাণ কমিয়ে নিজেদের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব বজায় রাখতে হবে। বিশেষ করে কম মূলধনের ব্যাংকগুলো বৃদ্ধি পেতে পারে সাধারণ সঞ্চিতি বা অন্যান্য ধরনের সঞ্চিতি ঘাটতি থাকলেও নগদ লভ্যাংশ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এটি পরিশোধিত মূলধন বেশি থাকলে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার বিষয়ে নতুন নির্দেশনা আনুমানিক করে জারি করা হয়েছে।
৩৬টি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে এখনও ১৬টি ব্যাংক নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করছে। তবে �
