বর্ষবরণে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের উৎসব
আনন দম খর পর ব শ ঢ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জুমুর পুনর্জাগরণ করেছে দূর পরবাসে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানটি। উপলক্ষে বাঙালি ঐতিহ্য পুনর্জীবিত হয়েছিল সংগীত, নাচ, প্রস্তাবনা, ফ্যাশন শো এবং সংস্কৃতির মাধ্যমে। এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল পূর্ব লন্ডনের লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমিতে ৯ মে তারিখে।
প্রধান অনুষ্ঠান সংস্কৃতির মাধ্যমে
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরী, যার স্বাগত বক্তব্য বিশেষ আনন্দ ও উৎসব নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল হাসান তুলে ধরেছিলেন অনুষ্ঠানের পরিচালনা ও বিস্তারিত বিষয়গুলো। সিনিয়র সহসভাপতি ও অনুষ্ঠান সমন্বয়কারী মেসবাহ উদ্দিন ইকো সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।
ব্যবসায়িক হালখাতা, বৈশাখী মেলা এবং সংস্কৃতির সমন্বয়ে দিনটি হয়ে ওঠে এক আনন্দঘন উৎসব। পয়লা বৈশাখ আমাদের শিকড় জুড়ে যুক্ত করে এবং স্মরণ করিয়ে দেয় বাঙালির সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও ইতিহাসের কথা।
সংস্কৃতিক অংশগ্রহণ ও শিল্পীদের অবদান
সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় গান ও নাচের সমারোহ রয়েছিল। শিশুশিল্পী শ্রেয়সী রাজভি ইসলাম একক নৃত্য পরিবেশন করেছিলেন। অকোপট বাংলা ব্যান্ড ইউকে (Ocopot Bangla Band UK) সাংস্কৃতিক সম্মাননা পর্বে সংগীতের নানা ধরনের প্রস্তুতি করেছিল। এই অনুষ্ঠানে ঘরে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল। মুড়ি চানাচুর, চটপটি, পিঠা, পায়েস, শুঁটকি সহ বিভিন্ন খাবার বিশেষ স্বাদ ও সুবিধায় অনুষ্ঠান অত্যন্ত উপভোগ করা হয়েছিল।
উদ্যোগ ও সম্মাননা প্রদান
অনুষ্ঠানে সদস্যদের অংশগ্রহণে নানা পরিবেশনা ও সংগঠন সম্পাদক এম কিউ হাসান নানা মাত্রায় বৈশাখী মেলার ধারণা স্পষ্ট করেছিলেন। পরিচালনা ও সম্মাননা পর্বে অনুষ্ঠানের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করা সদস্যদের স্বীকৃতি জানানো হয়েছিল। উপদেষ্টা সম্মাননা পর্বে নেতাদের অবদান জানানো হয়েছিল ফুলের তোড়া দিয়ে। বিশেষ ভাবে নতুন সদস্যদের জন্য স্বাগত জানানো হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের রফিকুল ইসলাম, আইন বিভাগের বিভা মোশাররফ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের খালেদা জামান পূর্ণি ও মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের চৌধুরী রেজওয়ানা বাশার।
স্মরণিকা ও স্পনসরদের সম্মাননা
বর্ষবরণ উপলক্ষে বর্ণিল স্মরণিকাটি প্রকাশিত হয়েছিল। স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন মাহফুজা রহমান। স্পনসরদের অবদানে বর্ণিল স্মরণিকার উন্মোচন করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে রয়েছে অধ্যাপক মশফিক উদ্�
