বাম দলগুলো পথহারা ভোটের মাঠে, রাজনীতিতেও
ব ম দলগ ল পথহ র ভ – দরিদ্র ও শ্রমিক শ্রেণির জন্য রাজনীতি করার আদর্শ বামপন্থী দলগুলো স্থাপন করেছিল দীর্ঘদিন। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে এই দলগুলো ক্ষমতার দাবি করতে পারছে না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বামপন্থী জোটগুলো সবগুলো আসনে হারিয়েছে জামানত। দলগুলো নিজেদের সামনে চুনাবাদ ছোঁয়াছুঁই ছাড়া থাকার কারণে বিশ্বাস হারিয়েছে।
নভেম্বর সামনে রেখে বামপন্থী দলগুলো এক জোট গঠন করেছিল। এই জোটের নাম ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’। কিন্তু এই জোট থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল ১৪৯ আসনে, যেখানে কোনো প্রার্থী জামানতে আসন অর্জন করেছেন না। সেই মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের সমান ভোট তারা পাননি।
প্রার্থীদের ফলাফল
বাসদের স্বাক্ষরিত মনীষা চক্রবর্তী বরিশাল-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। তাঁর ভোট ছিল ২২ হাজার ৪৮৬টি। কিন্তু সিপিবি সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন নরসিংদী-৪ আসনে মাত্র ৮৩৯ ভোট পেয়েছেন। আবদুল্লাহ হিল ক্বাফী কুমিল্লা-৫ আসনে কেবল ৩৪২ ভোট অর্জন করেছেন।
বামপন্থী দলগুলো আলাদা আলাদা প্রার্থী দেয়া সত্ত্বেও শ্রমিক অঞ্চল, উত্তরবঙ্গের দরিদ্র অঞ্চল বা কৃষিপ্রধান এলাকায় তাদের প্রতিক্রিয়া ছিল না। শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেণি তাদের সমর্থন দেয়নি। জামায়াতে ইসলামী বা ইসলামী আন্দোলনের সংগে ইসলামপন্থী দলগুলো দ্বন্দ্বে নিজেদের মধ্যে ভারসাম্য রাখার কার্যক্রম চলছে।
মূল আলোচনা ছিল মধ্যপন্থীদের চাপে রাখা কিংবা ভারসাম্য রক্ষা করবে কে? বামপন্থী নাকি ডানপন্থী দল।
গত বছরের ২৯ নভেম্বর জাতীয় কনভেনশনে আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে জোটটি গঠন করা হয়। তখন প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময় দলগুলো সামনে রেখে কাজ করেছে। কিন্তু এখন তাদের কার্যক্রম মিছিল ও প্রেসক্লাবগুলিতে সীমাবদ্ধ।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বামপন্থী দলগুলোর অনেকটি নেতা একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়নি। পঞ্চগড়-২ আসনে সিপিবি সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ছিল। যেমন বোদা উপজেলায় সিপিবির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফরহাদের জন্ম। তিনি ১৯�
