পশ্চিমবঙ্গে ইভিএম অভিযোগে গর্গ চট্টোপাধ্যায় জামিন পেলেন
পশ চ মবঙ গ ইভ এম নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিয়োগ পেয়েছে কলকাতা সদর আদালত। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর হয় দুই হাজার টাকার বন্ডে। গত ১২ মে কলকাতা পুলিশের সাইবার সেল তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ পর তিনি জামিন পেয়েছেন। আদালত তাঁকে সাইবার আইন ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে বিচার করবেন।
ইভিএম নিয়ে গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য
বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে গর্গ চট্টোপাধ্যায় ইভিএম সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে ভোটদান নিশ্চিত করতে ভিভিপ্যাট স্লিপ দেখার আহ্বান জানানো হয়েছিল। এ অভিযোগ দায়ের করে বাংলা পক্ষ এবং কেন্দ্রীয় সরকার এর বিরুদ্ধে যুক্তি দাঁড় করানো হয়।
“ভোট দেওয়ার পর ইভিএম ব্যবহারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার স্বাধীনতা চ্যালেঞ্জ করেছে। আমাদের সামনে দুটি বিষয় ছিল: নির্বাচনী আচরণবিধি ও সাইবার আইন গুলি আমাদের জনগণ বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হয়েছে।”
গর্গ চট্টোপাধ্যায় বাংলার নাগরিক স্বাধীনতার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে সাংগঠনিক আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, ইভিএম নিয়ে বিতর্ক ঘটানো হয়েছিল যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে স্পষ্টতা নিশ্চিত করা হবে। কলকাতা পুলিশ তাঁকে অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে কিন্তু আদালতের নির্দেশে তাঁকে জামিন দেয়া হয়েছে।
পরিস্থিতির প্রকৃত অর্থ ও প্রতিক্রিয়া
পশ চ মবঙ গ ইভ এম নিয়ে মন্তব্য করা হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন যে ইভিএম নিষ্ক্রিয় করা হয়েছিল ভোটের আগে রাতে কিন্তু কেন তা বিশ্লেষণ করা হয়নি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলার জনগণের পক্ষে আক্ষেপ করেছেন তাদের স্বাধীনতা বিরোধিতা করার জন্য।
বাংলা পক্ষের মন্তব্য নিয়ে এ অভিযোগ ঘটেছিল কেন্দ্রীয় সরকার ও অন্যান্য দল কর্তৃক। আদালত জামিন মঞ্জুর করেছেন যে তিনি নিশ্চিত ভাবে মুক্তি পেয়েছেন কিন্তু সাইবার সেল তাঁর পোস্ট পর্যবেক্ষন করেছিল। এ অভিযোগ ঘটেছিল তিনি ইভিএম দিয়ে ভোট সংগ্রহ অপরাধ করেছেন বলে।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে বিতর্ক ঘটেছে পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার এবং বাংলার জনগণের পক্ষে। গর্গ চট্টোপাধ্যায় নিয়মিত সংবাদমাধ্যমে স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করেন। ইভিএম প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁর বক্তব্য নিশ্চিত করেছে বিভিন্ন বিষয়টি অবিচ্ছিন্ন রয়েছে কর্ম করার জন্য।
এ ঘটনার পর পুলিশের অভিযোগ ঘটেছে ইভিএম দিয়ে ভোট সংগ্রহ অপরাধ করা হয়েছে। গর্গ �
