Uncategorized

যশোরে হাটের ঝুঁকি এড়িয়ে বাড়িতেই কোরবানির পশু বিক্রি, স্বস্তিতে ক্রেতা–বিক্রেতা

যশোরে হাটের ঝুঁকি এড়িয়ে বাড়িতেই কোরবানির পশু বিক্রি যশ র হ ট র ঝ ক - যশোর সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা গ্রামে একরাম আলী খাঁ এবার কোরবানি ঈদ পর্বে তিনটি গরু

Desk Uncategorized
Published May 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যশোরে হাটের ঝুঁকি এড়িয়ে বাড়িতেই কোরবানির পশু বিক্রি

যশ র হ ট র ঝ ক – যশোর সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা গ্রামে একরাম আলী খাঁ এবার কোরবানি ঈদ পর্বে তিনটি গরু লালনপালন করেছেন। তিনটি গরুর মধ্যে দুটি এতে ক্রেতারা বিক্রি করে নেয়া হয়েছে। মোবারককাঠি ও কাজিপুর গ্রামে খামারির গরু হাটে তোলা হয় না পাঁচ বছরের বেশি সময়। এই ধরনের প্রবণতা শ্রীকণ্ঠনগর গ্রামেও দেখা যাচ্ছে।

যশোরে পশু বিক্রির সময় হাটে তোলার ঝুঁকি ও ঝামেলা দুই ধরনের আছে। গরু হাটে নিয়ে যাওয়ার পর অন্য পশুর সংস্পর্শে রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ক্রেতারা এখন হাট থেকে বাড়িতে গরু নিয়ে আসেন। এ কারণে তারা কেনার সময় বেশি সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

খামারি বাড়িতে বিক্রি করার সুবিধা

বলাডাঙ্গা গ্রামে গরু বিক্রি করতে আসা তিনজন ক্রেতার একজন বলেন, ‘আমাদের গ্রামে গরু কিনতে আজ তৃতীয় দিন এলাম। এর আগে দুই দিন দাম বলে গেছি। ঈদের আগে একটি গরু কিনে ফেলব। হাটে গিয়ে প্রতিদিন ঝামেলা হয়। গরু খামারের সাথে রাখা সহজ।’

শিউলি বেগমের পরিবারে গরু

বলাডাঙ্গা গ্রামের শিউলি বেগম বলেন, ‘আমি তিন বছর ধরে একটি গরু লালনপালন করছি। সেটি বিক্রির জন্য এখন পর্যন্ত দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আমাদের পরিবার এই গরুকে হাট থেকে আলাদা করে রাখে।’

বাড়ি থেকে গরু বিক্রি করার ফলে ক্রেতারা স্বাস্থ্য রক্ষা করে সহজে নিয়ে আসতে পারেন। খামারে গরু রাখা সময় হাটে তোলার চেয়ে সুবিধাজনক। তারা কোরবানি পর্বের আগে বিক্রি করতে বেশি আগ্রহী।

খামারি বাড়ি থেকে বিক্রি করার প্রক্রিয়া

খামারি বাড়ি থেকে গরু বিক্রি করতে অনেক ক্রেতা আসে। একরাম আলী বলেন, ‘আমি এ বছর কোরবানির ঈদের আগে গরু বিক্রি করতে প্রস্তুত। দুটি গরু আমার খামারে রেখে যেতে রাখা হয়েছে।’

গরু ও ছাগল হাটে তোলার ঝুঁকি দুটো আছে। পশুর সংস্পর্শে হাটে নিয়ে আসা গরু অনেক সময় রোগাক্রান্ত হয়। শ্রীকণ্ঠনগর গ্রামে আবদুস সালাম বলেন, ‘আমাদের দুই ভাইয়ের গরু দুটি বিক্রি হয়ে গেছে। একটি গরু বাকি আছে। আরও তিনজন ক্রেতা এটি কিনতে আগ্রহী।’

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মতে

যশোর কার্যালয় থেকে জানা গেছে, এ বছর কোরবানি জন্য যশোর জেলায় ৩৬ হাজার গরু ও ৮১ হাজার ছাগল উদ্বৃত্ত রয়েছে। জেলায় পশুর চাহিদা প্রায় ১ লাখ ২ হাজার। গরু ও ছাগল হাটে তোলার পর ঝুঁকি আছে। আমরা হাটের কাজ উদ্বুদ্ধ করছি।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. স

Leave a Comment