ডাকাতেরা যখন মুখ চেপে ধরেছিল, তখন মনে মনে শুধু বলছিলাম, ‘আল্লাহ আমাকে অসম্মানিত কইরো না’
রাজধানীতে কাজ করছেন একটি স্কুলে শিক্ষক হিসাবে ইফফাত জেবীন
ড ক ত র যখন ম খ – ইফফাত জেবীন রাজধানীর একটি স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। সম্প্রতি দিনের বেলায় তাঁর বাসায় রোমহর্ষক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। তাঁর অভিজ্ঞতা পড়ুন।
আক্রমাণটি ঘটেছিল ১১ মে তার দিন। ছেলে সবে কিন্ডারগার্টেনে পড়ছে, তাই স্কুলে যাওয়ার জন্য ওকে আমরা খুব একটা চাপ দিই না। একুসর বছর ধরে রাজধানীতে শিক্ষক হিসাবে কাজ করছি। আমাদের বাসা ছয়তলা ভবনের দোতলায়। পাশাপাশি আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। আমরা তার সাথে থাকি, শাশুড়ি আর তার ফ্ল্যাটে। শ্বশুর মারা যাওয়ার পর একাই তিনি থাকেন।
সকাল সাড়ে আটটার দিকে আমার বর কোর্টে (ব্যারিস্টার হিসাবে কাজ করেন) যাওয়ার আগে ছেলের কাছে মাকে রেখে যান। স্কুল থেকে ফিরতে ফিরতে সূর্য বেলা বাজে। কলবেল বাজানোরও পর দরজা খুলছে না দেখে নবটা ঘুরাই। একটা দরজার লক খুলা কিন্তু ছিটকিনি ভেতরে আটকানো। যাইহোক সাধারণত উল্টোটা হয়, ছিটকিনি খুলা থাকে আর লক দেওয়া হয়। মনে হলো নাতি-দাদি মিলে ঘুম থেকে ওঠার পর ছেলেকে নিয়ে ফ্ল্যাটে গিয়েছেন শাশুড়ি। মেইন রোডে আমাদের বাড়ি। ওপরে আশপাশে বিল্ডিং ও দোকানপাট রয়েছে। আমাদের আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের বাসা ওখানে।
মা দরজা খোলেন।
অন্ধকার ড্রয়িংরুম থেকে আরও একটি লোক আমার ওপর বসে পড়ে প্রথমেই চোখজোড়া বেঁধে ফেলে। আমার বাসার গৃহকর্মী ছেলে এসেছিল। তারা আঘাত করতে থাকে আমার মুখে, হাতে আর শরীরে। আমার গোঙানোর শব্দ বাইরে চলে যাওয়ার থেকে রোধ করতে চেষ্টা করে। কাপড় দিয়ে মুখ ও চোখ ঢাকা। আঘাতের বেগে আমার হাতগুলো বাঁধার চেষ্টা করে।
অনেক সময় দরজার পেছনে ছেলে লুকিয়ে থাকে বলে আমার শাশুড়ি বলেন, ‘ডাকাত! ডাকাত!’ তার ভাগনে আর তিনতলার ভাড়াটিয়া মহিলার নাম ধরে ডাকতে থাকেন। দুবার ক্যানসার জয় করা রায়না মাহমুদের দ�
