অন্তর্বর্তী সরকারের গুমবিরোধী আইন আওয়ামী লীগের চেয়ে দুর্বল হয়েছে: তাজুল ইসলাম
অন তর বর ত সরক র র – অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবিত গুমবিরোধী আইন বাংলাদেশের সংস্কৃতি ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের আমলের চেয়ে বেশি দুর্বল হয়েছে বলে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম দাবি করেন। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বলেন, গুমের সংস্কৃতি পুরোপুরি বন্ধ করতে কার্যকর ও স্বচ্ছ আইন প্রয়োজন। এখন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন আওয়ামী লীগের আমলে ছিল তার চেয়েও দুর্বল হয়েছে।
গুম সম্পর্কে আলোচনা: একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের মূল বিষয়গুলো
তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্বল আইন করা হলে গুমের সংস্কৃতি আবারও ফিরে আসতে পারে। আজকে আমি নিরাপদ আছি, কালকে হয়তো আমি নাই হয়ে যাব। পরশু আমার সন্তানেরা নাই হয়ে যাবে। ক্ষমতায় কেউ চিরদিন থাকে না। আজ যাঁরা মন্ত্রী-এমপি আছেন, তাঁরাও একদিন ক্ষমতায় থাকবেন না।
বৈঠকে উপস্থিত হন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলী, সাবেক সেনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহিল আমান আযমী, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান। তাজুল ইসলাম বলেন, গুম সংস্কৃতি বন্ধ না হলে অপরাধীদের কোনো শাস্তি হবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের আইনে প্রতিটি গুমের ঘটনা একটি প্রতিক্রমণ বন্ধ করতে পারে না।
গুমবিরোধী আইনের বিশ্লেষণ: স্বচ্ছতা এবং কার্যকরিতা
তাজুল ইসলাম আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গুমবিরোধী আইন সরাসরি গুমের সংস্কৃতি প্রতিরোধে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়েছে। তিনি জানান, যারা গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারাই আইনগুলো লিখিয়েছে। এই আইনে নতুন করে গুম প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। অপরাধীদের সুনির্দিষ্ট চিহ্নিত করা এবং তাদের প্রতিক্রমণ করা প্রয়োজন। তিনি মন্তব্য করেন, গুমের বিচার প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না। সেই বিপ্লব ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি অপরাধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে চিহ্নিত করা হয় না এবং ঘটনাগুলো স্বীকৃতি পায় না।
বাংলাদেশে গুম সংস্কৃতি দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তৃত হয়েছে। তাজুল ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আইন প্রয়োগে গুম ঘটনা কমানো সম্ভব হয়নি। কারণ আইনগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে যারা নিজেদের ক্ষমতা বজায় রাখতে চান। গুমবিরোধী আইনের অপর্যাপ্ত ক্ষমতা এবং স্বচ্ছতা অভাব দেখা যাচ্ছে।
বৈঠকে উপস্থিত সংগঠনগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি বিশ্লেষণ করেন। তাজুল ইসলাম বলেন, গুমের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হলে সুন
