আসিয়ান কাপের জন্য বাংলাদেশের ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা
Banglaprabah.com – তপ বর মণক ছ ড় ই আস – ফিফা আসিয়ান কাপে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের জন্য ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। ইন্দোনেশিয়া ও হংকংয়ে আয়োজিত আসরে বাংলাদেশের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায়।
দল ঘোষণার বড় খবর হলো অভিজ্ঞ সেন্টারব্যাক তপু বর্মণের না থাকা। চোট কাটিয়ে এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়ায় তাঁকে নিয়ে ঝুঁকি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধান কোচ টমাস ডুলি। জাতীয় দলের রক্ষণভাগে তপুর অনুপস্থিতি নতুন সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি করলেও সামনে থাকা বড় প্রতিযোগিতার জন্য তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে দল।
তপু চোট থেকে সেরে উঠেনি। সে এখন পর্যন্ত দলের সঙ্গে এক সেশনও অনুশীলন করেনি। আরও দুই সপ্তাহ পারবে না। আমাদের লক্ষ্য, তাকে সাফের জন্য ফিট করে তোলা।
দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় দলে ফিরেছেন সেন্টারব্যাক মঞ্জুরুর রহমান। ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল। এবার তাঁর দলে ফেরা রক্ষণভাগের বিকল্প বাড়িয়েছে। স্কোয়াডে আছেন তারিক কাজী, শাকিল আহাদ, সাদ উদ্দিন, জায়ান আহমেদ, জিদান ইউসুফ ও রহমত মিয়াও।
প্রবাসী ফুটবলারদের উপস্থিতি
চূড়ান্ত দলে জায়গা পেয়েছেন কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলার। ট্রায়ালে অংশ নেওয়া ইয়াসার তাহমিদ, দেবজিৎ সরকার, সাইফ কেরাওয়ালা, শুকি ইতোফুসা, জিদান ইউসুফ ও ইউসুফ আহমেদের মধ্য থেকে শুকি ইতোফুসা এবং জিদান ইউসুফকে নেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ডের বোরহ্যাম উড এফসির খেলোয়াড় ফারহান আলীও আছেন বাংলাদেশের দলে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত গোলরক্ষক সাইফ কেরাওয়ালার উচ্চতা ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি হলেও এবার তাঁর জায়গা হয়নি। কোচ ডুলির মূল্যায়নে কিছু ঘাটতির কারণে তাঁকে এই আসরে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে ভবিষ্যতের জন্য তাঁকে বিবেচনায় রাখার ইঙ্গিতও দিয়েছেন কোচ।
মিডফিল্ডে অভিজ্ঞতা ও নতুন শক্তির মিশ্রণ দেখা যাচ্ছে। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে রয়েছেন সোহেল রানা, মোহাম্মদ সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, শেখ মোরছালিন, হামজা চৌধুরী ও শমিত সোম। ঢাকার প্রস্তুতি ক্যাম্পে না থাকলেও ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে হামজা ও শমিত দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। তাঁদের উপস্থিতি মাঝমাঠে বল নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
গোলরক্ষক থেকে আক্রমণভাগ
গোলপোস্টের দায়িত্বে নির্বাচিত হয়েছেন মিতুল মারমা, মেহেদী হাসান শ্রাবণ ও সুজন হোসেন। তিন গোলরক্ষকের উপস্থিতি দলকে প্রতিটি ম্যাচের আগে পরিস্থিতি ও কৌশল বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেবে।
আক্রমণভাগে আছেন শাহরিয়ার ইমন, ফাহামিদুল ইসলাম, শুকি ইতোফুসা, রাকিব হোসেন, ফারহান আলী ও মিনহাজুল করিম। গ্রুপে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ থাকার কারণে বাংলাদেশের সামনে গোল করার সুযোগ কাজে লাগানো এবং রক্ষণে শৃঙ্খলা ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ খেলবে ডিভিশন ১-এর ‘এ’ গ্রুপে। একই গ্রুপে রয়েছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের অভিযান। দ্বিতীয় ম্যাচে ২৮ সেপ্টেম্বর প্রতিপক্ষ সিঙ্গাপুর। গ্রুপ পর্বের শেষ লড়াই ১ অক্টোবর, স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে।
বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচই হবে জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে। একই মাঠে সব ম্যাচ হওয়ায় ভ্রমণজনিত চাপ কমলেও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি বাড়তি আবহ তৈরি করতে পারে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের ফল তাই বাংলাদেশের পরবর্তী পরিকল্পনা ও গ্রুপে অবস্থানের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হবে।
বাংলাদেশের চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলকিপার: মিতুল মারমা, মেহেদী হাসান শ্রাবণ ও সুজন হোসেন।
ডিফেন্ডার: তারিক কাজী, শাকিল আহাদ, সাদ উদ্দিন, জায়ান আহমেদ, জিদান ইউসুফ, মঞ্জুরুর রহমান ও রহমত মিয়া।
মিডফিল্ডার: জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম ও শেখ মোরছালিন।
ফরোয়ার্ড: শাহরিয়ার ইমন, ফাহামিদুল ইসলাম, শুকি ইতোফুসা, রাকিব হোসেন, ফারহান আলী ও মিনহাজুল করিম।
প্রথম আসিয়ান কাপের জন্য এই দল গঠনে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং তাৎক্ষণিক প্রতিযোগিতার প্রয়োজন—দুই দিকই গুরুত্ব পেয়েছে। তপু বর্মণকে ছাড়াই শুরু হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া অভিযান, তবে সুস্থ হয়ে ওঠার পর তাঁকে সাফের জন্য প্রস্তুত রাখার পরিকল্পনা বাংলাদেশের রক্ষণভাগের দীর্ঘমেয়াদি ভাবনার কথাও জানিয়ে দিচ্ছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is তপ বর মণক ছ ড় ই আস?
তপ বর মণক ছ ড় ই আস is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does তপ বর মণক ছ ড় ই আস matter?
তপ বর মণক ছ ড় ই আস matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

