Uncategorized

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ৪ বছরের বেশি থাকতে না দেওয়ার ট্রাম্পের নীতি স্থগিত করলেন আদালত

foreign-students

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা সময়সীমা নীতিতে আদালতের স্থগিতাদেশ

Banglaprabah.com – য ক তর ষ ট র ব – যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের অবস্থানের সময়সীমা কঠোরভাবে নির্ধারণের ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত নীতি আপাতত স্থগিত করেছেন একটি ফেডারেল আদালত। বোস্টন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক এফ ডেনিস সেলর চতুর্থের আদেশে নীতিটি কার্যকর হওয়ার আগেই থেমে গেছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার থেকে নিয়মটি চালুর কথা ছিল। তবে সোমবার মার্কিন শ্রমিক ইউনিয়ন ও উচ্চশিক্ষা-সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর জোটের আবেদনের পর আদালত এ বিষয়ে স্থগিতাদেশ দেন।

শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছরের সীমা

প্রস্তাবিত নিয়মে এফ ভিসাধারী বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ চার বছর থাকার অনুমতি দেওয়ার কথা ছিল। বর্তমানে শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা তাঁদের শিক্ষাক্রম বা একাডেমিক প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট শর্তে অবস্থানের মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ পান।

নীতিটি কার্যকর হলে প্রায় ১৬ লাখ এফ ভিসাধারী বিদেশি শিক্ষার্থী প্রভাবিত হতে পারতেন। শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে থাকা প্রায় ৫ লাখ জে ভিসাধারীর ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা ছিল।

বিদেশি সাংবাদিকদের জন্যও নতুন সীমা প্রস্তাব করা হয়েছিল। তাঁদের ভিসার মেয়াদ ২৪০ দিন হওয়ার কথা ছিল এবং পরে আরও ২৪০ দিনের জন্য আবেদন করা যেত। তবে মেয়াদ বাড়ানো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিশ্চিত হওয়ার কথা ছিল না।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় প্রভাবের আশঙ্কা

বিচারক সেলর তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, প্রচলিত ভিসা ব্যবস্থার মাধ্যমে বহু শিক্ষাবিদ গবেষণা ও অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর মতে, নতুন নিয়ম যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুতর ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

বিদ্যমান ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষাবিদেরা গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে অবদান রেখেছেন। প্রস্তাবিত নীতির ক্ষতি উচ্চশিক্ষা ও অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসন জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ভিসা কর্মসূচিতে প্রতারণা ঠেকানোর যুক্তিতে নীতিটির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। তবে আদালত মনে করেন, এ যুক্তি নতুন সীমাবদ্ধতার সম্ভাব্য ক্ষতির তুলনায় যথেষ্ট নয়।

এই স্থগিতাদেশে বিদেশি শিক্ষার্থী, গবেষক ও সংবাদকর্মীদের তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, ডিগ্রি সম্পন্ন করা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনায় হঠাৎ পরিবর্তনের ঝুঁকি আপাতত এড়ানো গেছে।

‘পাবলিক চার্জ’ নীতিতেও আইনি চ্যালেঞ্জ

অভিবাসনসংক্রান্ত আরেক নীতি ‘পাবলিক চার্জ’ বিধান নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসন আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া ও ইলিনয়সহ ২২টি অঙ্গরাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসি এ নীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে পৃথক দুটি মামলাও করা হয়েছে।

‘পাবলিক চার্জ’ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যিনি জীবনযাপনের জন্য প্রধানত সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। প্রস্তাবিত নিয়মে কোনো গ্রিন কার্ড আবেদনকারীকে এভাবে বিবেচনা করা হলে তাঁর আবেদন প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে প্রশাসনের ক্ষমতা বাড়ার কথা ছিল।

সমালোচকদের আশঙ্কা, এতে অভিবাসী পরিবারগুলো মেডিকেড, খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিধায় পড়তে পারে। মামলাকারীদের বক্তব্য, গ্রিন কার্ডের যোগ্যতা নির্ধারণে প্রশাসন কংগ্রেসের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করছে।

প্রশ্নোত্তর

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আদালতের আদেশের অর্থ কী?

আদালতের আদেশ অনুযায়ী চার বছরের নির্দিষ্ট সময়সীমার প্রস্তাবিত নিয়মটি আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। ফলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অবস্থানের মেয়াদসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চলবে।

সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেও কি স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য?

হ্যাঁ। বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য ২৪০ দিনের ভিসা সীমা নির্ধারণের প্রস্তাবও একই নীতির অংশ ছিল। তাই আদালতের স্থগিতাদেশ তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক।

নীতি কি ভবিষ্যতে আবার কার্যকর হতে পারে?

মামলার পরবর্তী শুনানি ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে। বর্তমানে নীতিটি স্থগিত রয়েছে।

Frequently Asked Questions

What is য ক তর ষ ট র ব?

য ক তর ষ ট র ব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does য ক তর ষ ট র ব matter?

য ক তর ষ ট র ব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *