Uncategorized

মৌসুমের শেষে দামি হয়ে উঠেছে কাঁঠাল, একেকটি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকায়

SREEPUR-JACKFRUIT-1

মৌসুমের শেষে শ্রীপুরে কাঁঠালের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা

Banglaprabah.com – ম স ম র শ ষ দ – মৌসুমের শেষে গাজীপুরের শ্রীপুরে কাঁঠালের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। কয়েক মাস আগে কম দামে পাওয়া ফলটি এখন আকারভেদে ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গাছে থাকা শেষ দফার কাঁঠাল কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেক ক্রেতা।

বুধবার দুপুরে বরমী বাজারের সাপ্তাহিক হাটে অল্পসংখ্যক কাঁঠাল নিয়ে বিক্রেতাদের বসে থাকতে দেখা যায়। ফলের অংশে ছোট, মাঝারি ও বড় কাঁঠাল থাকলেও আগের মতো সারি সারি ফল ছিল না। বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুম শেষ হওয়ায় গ্রাম থেকে কাঁঠাল সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়েছে; এই সংকটের প্রভাব পড়েছে দামে।

শেষ দফার কাঁঠালে বাড়তি চাহিদা

বরমী বাজারে পাইকার বিল্লাল হোসেন আটটি কাঁঠাল বিক্রির জন্য এনেছিলেন। তাঁর কাছে থাকা ফলগুলোর দাম ছিল ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা। একটি বড় কাঁঠাল দেখিয়ে তিনি বলেন, মৌসুমে একই ধরনের কাঁঠালের দাম অনেক কম থাকলেও শেষ সময়ে তা বেশি দামে কিনে আনতে হয়।

“এক হাজার টাকার এই কাডল (কাঁঠাল) সিজনে দাম ১০ টাকাও না। কিছু গাছে শেষ সিজনে কাডল ধরে। এগুলা আমরা বেশি দামে কিন্না আনি। কাডলগুলার স্বাদও বেশি, কিনেও মানুষ বেশি দামে।”

মৌসুমের শেষে শ্রীপুরের জৈনাবাজারেও কাঁঠালের দেখা মিলছে খুব কম। গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, নয়নপুর, বরমী ও মাওনা চৌরাস্তার বাজারেও একই চিত্র। হাতে গোনা কয়েকটি কাঁঠাল পাওয়া গেলেও দাম শুনে অনেক ক্রেতা অবাক হচ্ছেন।

ধানমহল এলাকার পাশে ১৫টি ছোট-বড় কাঁঠাল নিয়ে বসেছিলেন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী। তিনি গ্রাম থেকে বিভিন্ন দামে ফল কিনে এনেছেন। তাঁর সংগ্রহে থাকা কাঁঠালের দাম ২০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত। তাঁর মতে, বর্তমানে ব্যবসায়ীদের খরচ বাড়লেও মিষ্টি স্বাদের কারণে ক্রেতারা বেশি দাম দিতেও আগ্রহী।

“এক দাম ১ হাজার টাকা, মিষ্টি বেশি, কোষ বড়, গন্ধ মধুর মতো।”

জাতভেদে ফল আসার সময় ভিন্ন

কাঁঠালের মূল মৌসুম সাধারণত মে থেকে জুলাই পর্যন্ত। এ সময় বাজারে ফলের সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কম থাকে। তবে মৌসুমের শেষে গাছে থাকা অল্প কাঁঠাল বাজারে আলাদা গুরুত্ব পায়। সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি শেষ সময়ে ফল ধরা কিছু গাছের কাঁঠাল সুস্বাদু হওয়ার ধারণাও বাড়তি দামে বিক্রিতে ভূমিকা রাখছে।

ফল ব্যবসায়ী ইসলাম উদ্দিন বলেন, সব কাঁঠালগাছে একই সময়ে ফল ধরে না। কিছু গাছে আগাম ফল আসে, আবার কিছু জাতের গাছে মৌসুমের একেবারে শেষ দিকে কাঁঠাল পাওয়া যায়। সাধারণ কাঁঠাল কমে গেলে দেরিতে ফল দেওয়া গাছের কাঁঠালের চাহিদা বেড়ে যায়।

“জাত বুঝে কাঁঠালগাছ রোপণ করতে পারলে কৃষকের লাভ অনেক বেশি হতে পারে। আগাম ও শেষ মৌসুমের কাঁঠালের চাহিদা থাকে।”

জৈনাবাজার এলাকার পাইকার সাইফুল ইসলাম জানান, স্থানীয় বাজারে এখন কাঁঠাল অপ্রতুল। দু-একটি ফল পাওয়া গেলেও শৌখিন ক্রেতারা বেশি দাম দিয়েই কিনছেন। মৌসুমের শেষ দিকে পাওয়া কিছু কাঁঠাল ঢাকার নির্দিষ্ট এলাকাতেও নেওয়া হয়, যেখানে এ ধরনের ফলের আলাদা ক্রেতা রয়েছেন।

কৃষি বিভাগের পরামর্শ

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আগাম জাতের কয়েক ধরনের কাঁঠাল উদ্ভাবন করেছে। এসব জাতের চারা কিছু নার্সারিতে সরবরাহ করা হচ্ছে এবং এর মধ্যে ১২ মাসি জাতও রয়েছে। উপযোগী জাতের চারা রোপণ করলে কৃষকেরা বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ভালো দাম পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারেন।

শ্রীপুরে চলতি বছর কাঁঠাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও প্রায় একই লক্ষ্যমাত্রা ছিল এবং তা অর্জিত হয়েছিল। উৎপাদন স্থিতিশীল থাকলেও মৌসুমের শেষে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারদর বাড়ছে।

প্রশ্নোত্তর

মৌসুমের শেষে কাঁঠালের দাম কেন বাড়ে?

মৌসুম শেষ হলে গাছে কাঁঠালের সংখ্যা কমে যায় এবং বাজারে সরবরাহও কমে। অল্প ফলের বিপরীতে চাহিদা থাকায় দাম বাড়ে।

শ্রীপুরে এখন কাঁঠালের দাম কত?

বাজার ও আকারভেদে কাঁঠাল ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

শেষ মৌসুমের কাঁঠাল কি বেশি সুস্বাদু?

বিক্রেতাদের দাবি, শেষ সময়ে পাওয়া কিছু কাঁঠালের কোষ বড়, মিষ্টি এবং সুগন্ধি হওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকে।

Frequently Asked Questions

What is ম স ম র শ ষ দ?

ম স ম র শ ষ দ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ম স ম র শ ষ দ matter?

ম স ম র শ ষ দ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *