বৃদ্ধ অভিভাবকের সম্পত্তি সুরক্ষায় নতুন আইন
Banglaprabah.com – ব দ ধ ম ব ব ক – বাংলাদেশে বয়স্ক অভিভাবকদের জমি বা বাসস্থান নিয়ে পরিবারের ভেতর সংঘাত দীর্ঘদিনের সমস্যা। ব দ ধ ম ব ব প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই ধরনের ঘটনা সংখ্যায় বেড়েছে, ফলে আইনজীবী ও নাগরিক-অধিকার কর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—আইন কি সত্যিই বয়স্ক মানুষকে তাঁর নিজস্ব সম্পত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সাহায্য করে? গত রোববার জাতীয় সংসদে পাস হওয়া দ্য ট্রান্সফার অব প্রোপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল এই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট আইনি উত্তর দেয়। সংশোধিত আইনে যুক্ত নতুন ধারার মূল উদ্দেশ্য: দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত সম্পত্তির ভোগাধিকার সংরক্ষণ করেও অন্যকে সম্পত্তি দান করার সুযোগ তৈরি করা।
গৌরনদীর ঘটনা—একটি পরিবারের ভেতরের অসহায়তা
বরিশাল বিভাগের গৌরনদী উপজেলায় ২০২২ সালে ঘটেছিল এমন একটি ঘটনা, যা দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছিল। শাহজাহান মৃধা মৃত্যুর আগে স্ত্রী হালিমা বেগমের নামে ৬৪ শতাংশ জমি লিখে দিয়েছিলেন। হালিমা বেগম তখন বসবাস করতেন ছেলে মাহাবুব আলম মৃধার বাড়িতে। কিছুদিন পরে ৮২ বছর বয়সী হালিমা বেগম সেই জমি ছেলের নামে লিখে দেন। এরপরই মাহাবুব তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের পর হালিমা বেগমের হাতে আর কোনো আইনি দাবি থাকে না—স্বামীর দেওয়া জমির ওপরও। সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে আইনজীবী ও নাগরিক-অধিকার কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সংশোধন কী করে: দুটি নতুন ধারার বিস্তারিত
সংশোধিত আইনে যুক্ত নতুন ১২২(ক) ধারা অনুযায়ী, একজন দাতা জীবদ্দশায় সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার নিজের কাছে রেখেই অন্যকে দান করতে পারবেন। অর্থাৎ দান সম্পন্ন হলেও দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত সেই সম্পত্তি ব্যবহার ও উপভোগ করার অধিকার তাঁরই থাকবে। এই ধারায় চারটি উপধারা রয়েছে, যা নির্দিষ্ট করে কে কারকে দান করতে পারবেন:
প্রথমত, বাবা-মা সন্তানদের প্রতি দান করতে পারবেন। দ্বিতীয়ত, দাদা-দাদি বা নানা-নানি নাতি-নাতনির প্রতি দান করতে পারবেন। তৃতীয়ত, সন্তান বা নাতি-নাতনি উল্টো দিকে—বাবা-মা, দাদা-দাদি বা নানা-নানির প্রতি—দান করতে পারবেন। চতুর্থত, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও এই ধরনের দান সম্ভব।
একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তও রয়েছে: দাতা জীবিত অবস্থায় গ্রহীতার মৃত্যু ঘটলে, দান করা সম্পত্তি আইন অনুযায়ী গ্রহীতার উত্তরাধিকারীদের কাছে যাবে। তবে দাতা সংরক্ষণ করেছিলেন সেই জীবনকালীন ভোগাধিকার—সেটি সম্পূর্ণ বহাল থাকবে।
১২২(খ) ধারা অনুযায়ী, দান করা সম্পত্তি নিবন্ধনের পর সাধারণত তা আর বাতিল করা যাবে না। তবে প্রকৃত প্রয়োজন—যেমন আর্থিক সংকট, চিকিৎসা খরচ, শিক্ষাগত প্রয়োজন বা পারিবারিক জরুরি অবস্থা—মেটানোর জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে দান বাতিল বা পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে।
আইনমন্ত্রীর বিবৃতি ও সংসদীয় প্রক্রিয়া
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যমান আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতি সম্পর্কে বিধান থাকলেও দাতার জীবনকাল পর্যন্ত ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে দান করার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান ছিল না। প্রস্তাবিত এই জীবনকালীন ভোগাধিকার সংর
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ব দ ধ ম ব ব ক?
ব দ ধ ম ব ব ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ব দ ধ ম ব ব ক matter?
ব দ ধ ম ব ব ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

