বিমানের মহাব্যবস্থাপককে সাময়িক পদ থেকে অপসারণ
ব ম ন র স ই কর – বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক মো. মিজানুর রশীদের বিরুদ্ধে গতকাল সোমবার পরিচালনার পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। তিনি সাময়িক বরখাস্তের ঘোষণা পেলেন, যার কারণে সংস্থার ভেতরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। প্রথমে তাঁকে নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়েছিল, কিন্তু এক ঘণ্টা পর সেই আদেশটি সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়। এই ত্বরান্বিত পরিবর্তন প্রতিষ্ঠানের নীতিগুলো বিষয়টি নিয়ে গুরুতর বিতর্ক তুলে ধরেছে।
বিমানের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মো. মিজানুর রশীদকে বাংলাদেশ বিমান কপোরেশন এমপ্লয়িজ (সার্ভিস) রেগুলেশনস ১৯৭৯ এর অনুচ্ছেদ ৫৮ অনুসারে সাময়িক বরখাস্তে রাখা হয়। এই পদ থেকে অপসারণ ঘটানোর পিছনে কী কারণ আছে তা প্রসঙ্গত বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে এই ঘটনার জন্য নানান মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। কিছু কর্মচারী তাঁকে নিয়ম অমান্য করার জন্য আপত্তি জানিয়েছেন, কিন্তু অন্যরা প্রতিষ্ঠানের নীতি মেনে চলার প্রশংসা করেছেন।
পদোন্নতি এবং বরখাস্তের দ্রুত পরিবর্তন
বিমানের মহাব্যবস্থাপককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে সার্ভিস রেগুলেশনস ১৯৭৯ এর অনুচ্ছেদ ৫৮ অনুসারে। এই পরিবর্তনে গত ৪ মার্চ থেকে বিমানের কর্মকর্তাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। বিমান কর্মকর্তা মো. মিজানুর রশীদ সরকারি অর্থে সফটওয়্যার কেনায় প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বর্তমান। যদিও তিনি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন, কিন্তু দুদক তাঁর সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মপ্রণালী বিষয়ে তদন্ন চালিয়ে আসছে। এই সংখ্যার দ্বারা সম্পূর্ণ অপসারণের কারণ খুঁজতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিমান কর্মকর্তাদের মধ্যে সংস্থার পরিবর্তনের জন্য উঠেছে বিতর্ক, কী কারণে এত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিমানের সূত্র থেকে জানা গেছে যে তিনি প্রথমে অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব পান। তাঁর পদোন্নতি ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু এক ঘণ্টা পর পদ থেকে অপসারণ ঘটানো হয়। এই ত্বরান্বিত পরিবর্তন বিমান কর্মকর্তাদের মনে গুরুতর সন্দেহ তুলে ধরেছে। আলোচনার পরিবেশে তাঁকে বাংলাদেশ বিমান কপোরেশনের প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে ফিরে আসার ঘোষণা ছিল। তবে পরে তাঁকে সাময়িক বরখাস্তে রাখা হয়। এই ঘটনার প্রতি বিমান কর্মিদের অভিমত মিশে মিশে আলোচনা চলছে।
বিমানের মহাব্যবস্থাপক পদে সাময়িক বরখাস্ত নীতিগুলি অনুসারে ঘটেছে। সার্ভিস রেগুলেশনস ১৯৭�
